• মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রামুতে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় আসা সেই দুই সহোদর হারালেন বাবাকেও চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের ছবি তুলতে গিয়ে হামলার শিকার তিন সাংবাদিক বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় যারা কক্সবাজারে সংসদ সদস্যের গাড়িবহরের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে বড় রদবদল কক্সবাজারের ফাহিমুর রহমানের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যে আকুতি জানালেন ছাত্রদল কর্মী নজরুল ইসলাম ইতিহাসের প্রথম ৩ প্যানেল : কক্সবাজারে নির্বাচনে ফিরছে আওয়ামী লীগ জ্বালানি উপদেষ্টার সরিয়ে দেওয়া পিএস এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস সকল সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর বিএনপি সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবরে ছাত্রনেতা এনামুল হকের খোলা চিঠি

রামুতে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় আসা সেই দুই সহোদর হারালেন বাবাকেও

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক : / ৫৩ বার ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আড়াই মাস ধরে কারাগারে বন্দি রামুর দক্ষিন মিঠাছড়ি ইউনিয়নের আপন দুই ভাই ফরিদুল আলম (৪৩) ও মোহাম্মদ ইসমাইল (৩৮)। বার্ধক্যজনিত কারণে গত শনিবার সকালে তাদের মা মোস্তফা বেগমের (৮০) মৃত্যু হয়।

মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি মেলে। পুলিশি পাহারায় মাকে শেষবিদায় জানান দুই ভাই। তারা মায়ের জানাজা ও দাফনে হাতকড়া পরেই অংশ নেন। এর পর ফের কারাগারে পাঠানো হয়।

মায়ের জানাজা পড়ার দুই দিনের ব্যবধানে এবার তাঁদের বাবা নুর আহমদও (৯০) মারা গেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে নূর আহমদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। ঠিক একই মাঠে গত শনিবার দুপুরে তাঁদের মা মোস্তফা বেগমের জানাজা হয়। সেই দিনই বাবার শঙ্কার কথা জানিয়েছিল কারাবন্দি ছেলেরা।

জানা গেছে, ফরিদুল ও ইসমাইল দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে রামু থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলায় দুজন প্রায় আড়াই মাস ধরে কক্সবাজার কারাগারে। গত শনিবার সকালে তাদের মা মারা যান। এরপর ফরিদুল ও ইসমাইলের প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করেন স্বজনেরা। বেলা ১১টার দিকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাড়ি গিয়ে মায়ের মরদেহ দেখেন তারা। এরপর খাটিয়া কাঁধে বহন করে দাফনের জন্য নিয়ে যান। এ সময় দুজনের হাতে হাতকড়া ছিল। হাতকড়ার একটি অংশ দড়ি লাগিয়ে পুলিশের হাতে দেখা যায়।

জানাজায় অঝোরে কাঁদেন ফরিদুল ও ইসমাইল। তারা বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, প্রথমে খুঁনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় ফরিদুল ও ইসমাইলকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন হওয়ার পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির একটি মামলায় ফের আটক দেখানো হয়। সেটার জামিন হলে রামুর বিএনপি নেতা মাহিন চৌধুরীর করা মামলায় আবারও গ্রেপ্তার হয়ে দুই ভাইকে কারাভোগ করতে হচ্ছে আড়াই মাস ধরে।

ইসমাইলের স্ত্রী কুলছুমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী নির্দোষ। সে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তাদেরকে অহেতুক মামলায় জড়িয়ে জেল খাটানো হচ্ছে।’ মা ও বাবা দুজনই মারা গেলেন। অথচ সন্তান হিসাবে শেষ সেবাটুকু করতে পারলেন না। সূত্র-টিটিএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন