টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়নের কুরাবুইজ্জাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ দুইজন মাদক কারবারী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫ সদস্যরা। ধৃতরা হলেন সাবরাং কুড়াবুইজ্জাপাড়া মো. মমতাজ মিয়ার পুত্র মো. মিজানুর রহমান (২০) এবং একই ইউনিয়নের বাহারছড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র মো. জিয়াবুল করিম প্রকাশ কাশেম (২০)।
র্যাব-১৫ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মো. আবু সালাম চৌধুরী ১১ নভেম্বর জানান, র্যাব দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। মাদক কারবারীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে এ্যাডভান্স টিম গঠনসহ ছদ্মবেশ ও নানাবিধ অভিনব পন্থায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাদক ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে করে যুব সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। দেশব্যাপী মাদকের বিস্তাররোধসহ সমাজে বিরাজমান নানাবিধ অপরাধ দমন ও অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১৫ সব সময় অত্যন্ত অগ্রণী ভুমিকা পালন এবং আন্তরিকতার সহিত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়ন কুড়াবুইজ্জাপাড়া এলাকায় কতিপয় মাদক কারবারী বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় অথবা অন্যত্র প্রেরণের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ১০ নভেম্বর রাতে সিপিএসসি-১ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনাকালে র্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে মো. মিজানুর রহমান এবং মো. জিয়াবুল করিম প্রকাশে কাশেম নামে দুইজন কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত মাদক কারবারীর দেহ ও সাথে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশী করে তাদের হেফাজত হতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আটককৃত মাদক কারবারীরা জানায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় পরস্পর যোগসাজশে মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহ করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রয় করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ ধৃত মাদক কারবারীরদ্বয়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণার্থে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।