• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

আত্মসমর্পণকারী ১০১ ইয়াবা কারবারির মামলার রায় ২৩ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিদেক / ২২২ বার ভিউ
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
কক্সবাজারের টেকনাফে আত্মসমর্পণ করা ১০১ জন ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে চলমান দুই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ২৩ নভেম্বর। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ইসমাইল মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে রায়ের এই দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি ফরিদুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এজহারের বরাতে তিনি জানান, সোমবার (১৪ নভেম্বর) এই মামলায় টেকনাফের বাহারছরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আজিজ উদ্দিন এবং টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন ভুলু সাফাই সাক্ষ্য দেন। এরপর আংশিক যুক্তিতর্ক হয়। মঙ্গলবার অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ২৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য করেন।

২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ পাইলট হাইস্কুল মাঠে মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে ১০২ জন ইয়াবা কারবারি আত্মসমর্পণ করেন।  তাদের মধ্যে মোহাম্মদ রাসেল নামে এক আসামি মারা গেছেন।

আত্মসমর্পণের পর তাদের কাছ থেকে তিন লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৩০টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে তৎকালীন পরিদর্শক এবিএমএস দোহা পৃথক দুটি মামলা করেন।

পিপি ফরিদুল বলেন, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ এবং আসামিদের পক্ষে সাক্ষীদের জেরা করা হয়। আলামত প্রদর্শন, রাসায়নিক পরীক্ষার ফল যাচাই, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়াসহ মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে।

মামলার সব আসামি জামিনে ছিলেন। মঙ্গলবার ১৭ জন আদালতে হাজির হলে বিচারক তাদের জামিন আদেশ বাতিল করে কারাগারে পাঠান।

তারা হলেন- নুরুল হুদা, শাহ আলম, আব্দুর রহমান, ফরিদ আলম, মাহবুব আলম, রশিদ আহমেদ, মোহাম্মদ তৈয়ব, জাফর আলম, মোহাম্মদ হাশেম ওরফে আংকু, আবু তৈয়ব, আলী নেওয়াজ, মোহাম্মদ আইয়ুব, কামাল হোসেন, নুরুল বশর ওরফে কালাভাই, আব্দুল করিম ওরফে করিম মাঝি, দিল মোহাম্মদ, মো. সাকের মিয়া ওরফে সাকের মাঝি।

পলাতক ৮৪ আসামি:

পিপি ফরিদুল আলম বলেন, ৮৪ আসামি আদালতে হাজির না হওয়ায় আপাতত তাদের পলাতক বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী ২৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার সময় আদালত এ বিষয়ে আদেশ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

৮৪ আসামি হলেন- সাবেক এমপি আবদুল রহমান বদির ভাই আব্দুর শুক্কুর, বদির ভাই আমিনুর রহমান ওরফে আব্দুল আমিন, দিদার মিয়া, বদির ভাগনে মো. সাহেদ রহমান নিপু, আব্দুল আমিন, নুরুল আমিন, বদির ভাই শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক, বদির ভাই ফয়সাল রহমান, এনামুল হক ওরফে এনাম মেম্বার, একরাম হোসেন, ছৈয়দ হোসেন, বদির বেয়াই সাহেদ কামাল ওরফে সাহেদ, মৌলভী বশির আহমদ, আব্দুর রহমান, মোজাম্মেল হক, জোবাইর হোসেন, নুরুল বশর ওরফে কাউন্সিলার নুরশাদ, বদির  ফুপাত ভাই কামরুল হাসান রাসেল, বর্তমানে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান ওরফে জিহাদ, মোহাম্মদ শাহ, নুরুল কবির, মারুফ বিন খলিল ওরফে বাবু, মোহাম্মদ ইউনুচ, ছৈয়দ হোসেন ওরফে ছৈয়দু, মোহাম্মদ জামাল ওরফে জামাল মেম্বার, মো. হাসান আব্দুল্লাহ, রেজাউল করিম ওরফে রেজাউল মেম্বার, মো. আবু তাহের, রমজান আলী, মোহাম্মদ আফছার, হাবিবুর রহমান ওরফে নুর হাবিব, শামসুল আলম ওরফে শামশু মেম্বার, মোহাম্মদ ইসমাঈল, আব্দুল গনি, মোহাম্মদ আলী, জামাল হোসেন, আব্দুল হামিদ, নজরুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে দানু, মোহাম্মদ সিরাজ, মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, হোসেন আলী, নুরুল কবির মিঝি, শাহ আজম, জাফর আহমেদ ওরফে জাফর, রুস্তম আলী, মোহাম্মদ হোছাইন, নুরুল আলম, শফি উল্লাহ, মো. জহুর আলম, মোহাম্মদ হুসাইন, মোহাম্মদ সিদ্দিক, রবিউল আলম, মঞ্জুর আলী, হামিদ হোসেন, মোহাম্মদ আলম, নুরুল আমিন, বোরহান উদ্দিন, ইমান হোসেন, মোহাম্মদ হারুন, শওকত আলম, হোছাইন আহম্মদ, মোহাম্মদ আইয়ুব, মো. আবু ছৈয়দ, মো. রহিম উল্লাহ, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ সেলিম, নুর মোহাম্মদ, বদির খালাত ভাই মং অং থেইন ওরফে মমচি, মোহাম্মদ হেলাল, বদিউর রহমান ওরফে বদুরান, ছৈয়দ আলী, মোহাম্মদ হাছন, নুরুল আলম, আব্দুল কুদ্দুস, আলী আহম্মেদ, আলমগীর ফয়সাল ওরফে লিটন, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল আলম, সামছুল আলম শামীম, মোহাম্মদ ইউনুচ, নুরুল আফসার ওরফে আফসার উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহজাহান আনছারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন