• সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিহত ভিসা ছাড়াই আড়াই বছর বাংলাদেশের উপকূলে নিউ জিল্যান্ডের পরিবার কক্সবাজারে ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখন্ডিত : নিউজিল্যান্ডের এক শিশু নিখোঁজ কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা!

ছেলের ফাঁসির রায় শুনে ভেঙে পড়েছেন লিয়াকতের মা

নিজস্ব প্রতিদেক / ১৫৯ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২
লিয়াকতের গ্রামের বাড়ি।

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
সিনহা হত্যা মামলায় লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার মা। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা রায় শুনতে কক্সবাজার আদালতে ছুটে যান। লিয়াকতের মা রোকেয়া বেগমকে (৮০) সান্তনা দেন প্রতিবেশীরা। রায়ের পর লিয়াকতের বাড়িতে ভিড় জমায় গ্রামবাসী। তবে এই রায়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে চায়নি তারা।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লিয়াকত চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের হুলাইন গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম সাহাব মিয়া। সিনহাকাণ্ডের কিছুদিন আগে মারা গেছেন তিনি। সিনহা হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন ইনসপেক্টর লিয়াকত।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার আদালত সিনহা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত এই মামলায় লিয়াকত এবং বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপের মৃত্যুদণ্ড দেন। এ ছাড়াও ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন এবং সাতজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার পর লিয়াকতের গ্রামের বাড়ি দেখা গেছে, রায়ের খবর শুনে তার মা রোকেয়া বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এ সময় প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা তাকে সান্তনা দেন। এক পর্যায়ে রোকেয়া বেগম নির্বাক হয়ে পড়েন।

জানা যায়, লিয়াকতরা ছয় ভাই ও এক বোন। এরমধ্যে লিয়াকত সবার ছোট। ২০১০ সালে তিনি পুলিশে যোগদান করেন। প্রথমে ডিবি, পরে সোয়াত ও অ্যান্টি টেরিরিজম টিমে কাজ করেন। এরপর পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর টেকনাফ থানার অধীনে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে যোগদান করেন। এলাকাবাসী তাদের পরিবারকে শিক্ষিত পরিবার হিসেবে সম্মান দিত। তবে সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় তাকে নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

ইউনিয়নের হুলাইন গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, সিনহা হত্যার রায় শুনতে লিয়াকতের পরিবারের সদস্যরা কক্সবাজারে চলে যান। রায়ে লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ গণমাধ্যমে প্রচার হলে তার মা রোকেয়া বেগম কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় প্রতিবেশীরা ‘উচ্চ আদালতে আপিল করলে আপনার ছেলে ন্যায় বিচার পাবে’ বলে সান্তনা দেন।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদারের কাছে লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে পটিয়ায় কোনো প্রতিক্রিয়া আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিনহা হত্যার ঘটনার রায়ে পটিয়ায় এ পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন