নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের টেকনাফে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার রায় ঘিরে সোমবার সকাল থেকে আদালতে অপেক্ষা করছিল অনেক ভুক্তভোগী পরিবার। তেমনই একজন হালিমা খাতুন। কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনি হারিয়েছেন ছেলেকে। তাই রায় ঘোষণার খবর শুনে বাড়িতে থাকতে পারেননি। টেকনাফ থেকে কক্সবাজার আদালতে ছুটে এসেছেন। সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে আদালত প্রাঙ্গণে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে হালিমার ছেলে আজিজ রিকশা চালাতে গিয়ে ওসি প্রদীপের হাতে আটক হন। পরে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ছেলেকে প্রদীপের হাত থেকে বাঁচাতে শেষ সম্পদ বাড়ির ভিটেও বিক্রি করে দেন হালিমা। তারপরও ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করতে পারেননি।
ছেলেহারা হালিমা খাতুন বলেন, আমার ২০ বছরের ছেলেকে ধরে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছে। সেই ২০১৯ সাল থেকে এখনো শোক কেটে উঠতে পারছি না। ক্রসফায়ার না দিতে ওসি প্রদীপকে ৬ লাখ টাকাও দিছি। আটকের তিন দিন পর কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে লাশ পড়ে আছে বলে খবর পাই।
হালিমা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি মরে যাওয়ার আগে প্রদীপের মৃত্যু দেখে যেতে চাই।