• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পেকুয়ায় টইটং অঙ্কুর বিদ্যাপীটের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন পেকুয়া সদর মৌলভী পাড়া সমাজ কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি-শিব্বির, সাধারণ সম্পাদক – জাহেদ ১৬ মাসে নতুন করে দেশে এসেছেন দেড় লাখ রোহিঙ্গা ফ্লাইওভারে ছাত্রলীগ নেতার ঝুলন্ত মরদেহ রামু প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন উখিয়া-টেকনাফে প্রজেক্ট অফিসার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক এনজিও চার বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস নোহা বক্সিসহ ২৮ হাজার ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজার মহাজের পাড়ার জসিম ও সাইফুলসহ আটক ৪ পেকুয়ায় সংরক্ষিত বনে অবৈধ স্থাপনা : সংবাদ প্রকাশ করায় বন কর্মকর্তার হুমকি চকরিয়ার মাতামুহুরীসহ নতুন পাঁচ উপজেলা গঠন

৭ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিদেক / ৮৬ বার ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৩

টেকনাফ প্রতিনিধি:
আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনিসহ ৮ সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে টেকনাফের নেচার পার্ক রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ক্যাম্পে এ ধরণের পোস্টার লাগানো হয়েছে। এই ৭ সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দিতে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সচেতন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ব্যানারে এসব পোস্টার লাগানো হয়। টেকনাফের দমমিয়া নেচার পার্কসহ বিভিন্ন ক্যাম্পে এ ধরনের পোস্টার দেখতে পান অনেকে।

পোস্টারে থাকা সন্ত্রাসীরা হলেন আরকান রোহিঙ্গা স্যালভ্যাশন আর্মির প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি, মাওলানা আকিজ, শামসু উদ্দিন, মৌলভী মোস্তাক আহমদ, রহমত উল্লাহ মুসা, নুর কামাল ওরফে সমি উদ্দিন এবং ওস্তাদ খালেদ।

রোহিঙ্গাদের মতে, পোস্টারে বার্মিজ ভাষায় যা লেখা ছিল, তারা সন্ত্রাসী। এ মানুষগুলোকে ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান। যদি কোনও ক্যাম্পে কেউ তাদের দেখতে পায় তাহলে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করার জন্য বলা হলো। তাদের ক্যাম্পে কেউ দেখলে তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে পাঁচ লাখ এবং ধরিয়ে দিলে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। তবে পুরস্কারের টাকা কে পরিশোধ করবে পোস্টারে তার উল্লেখ নেই।

স্থানীয় রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ নুর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন ক্যাম্পের ব্লকে ব্লকে এ ধরনের পোস্টার দেখেছি। যেখানে অস্ত্রসহ সন্ত্রাসীদের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরেও এসেছে’।

নেচার পার্ক ক্যাম্পের বাসিন্দা নুর আলম বলেন, ‘পোস্টারে যাদের ছবি আছে, তারা সবাই আরসা সন্ত্রাসী। বিশেষ করে তারা উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। তাদের গ্রেফতার করতে পারলে ক্যাম্পে শান্তি ফিরবে। আমরাও চেষ্টা করছি, তাদের ধরিয়ে দিতে। ক্যাম্পের অর্ধেক অপরাধ এদের মাধ্যমে চলে। বিভিন্ন সময় মহড়া দেখেছি তাদের’।

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্বে থাকা ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোহাম্মদ জামাল পাশা বলেন, ‘ওসব পোস্টার বিভিন্ন ক্যাম্পে দেওয়া হয়েছে। তবে তা আমরা প্রকাশ করিনি। পোস্টারে থাকা ব্যক্তিরা আরসা সন্ত্রাসী। আমরা তাদের ধরার চেষ্টা করছি। ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে আমাদের নজরদারি আছে। গোয়েন্দা তৎপরতাও রয়েছে। তাদের দেখা গেছে, এমন খবর এলে গ্রেফতার করা হবে’।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন