বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় পা রাখবেন দক্ষিণ কোরিয়ায়। পায়ের জাদুতে মুগ্ধ করবেন মাঠে আসা হাজার হাজার দর্শকদের। কত আশা ছিল কোরীয়দের! কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি সেদিন। হাজার হাজার কোরিয়ানদের হতাশ করে বেঞ্চেই বসে থেকেছিলেন রোনালদো। মৌসুম শুরুর আগে রোনালদোকে ছাড়াই দক্ষিণ কোরিয়ায় অল স্টার একাদশের বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্র করেছিল জুভেন্টাস। প্রিয় তারকাকে দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়ে দুয়োধ্বনি দিয়েছিল কোরীয়রা। করেছিল মেসির নামে উল্লাসধ্বনি।
ম্যাচ শেষে ক্ষিপ্ত দুই সমর্থক ব্যাপারটাকে নিয়ে গিয়েছিলেন আদালত পর্যন্ত। গাঁটের পয়সা খরচ করে যাকে দেখতে এসেছিলেন, তাঁকেই যদি দেখা না যায়, মেজাজ খারাপ তো হবেই! রাগের আগুনে আরও সলতে পড়েছিল আয়োজক সংস্থার একটা কথার কারণে। আয়োজক সংস্থা দ্য ফাস্তা ইঙ্ক ম্যাচের আগে জানিয়েছিল, অন্তত ৩০ মিনিট রোনালদো মাঠে নামবেনই। প্রীতি ম্যাচের চুক্তিপত্রে উল্লিখিত ছিল, অন্তত ৩০ মিনিট রোনালদোকে খেলাতেই হবে। কিন্তু সে কথা মানেননি জুভেন্টাসের কোচ মরিজিও সারি। শারীরিক অবসাদ ও মাংসপেশির হালকা চোটের কারণে সেদিন রোনালদোকে মাঠে নামানোর ঝুঁকি নিতে রাজি হননি জুভেন্টাস কোচ। ফলে কোরীয়রাও রোনালদোর কারিকুরি দেখতে পারেনি। এই সিদ্ধান্তে কোচ সারি, রোনালদো, ও জুভেন্টাসের সভাপতি আন্দ্রেয়া আগনেল্লি, সবারই মত ছিল।
সে সিদ্ধান্তে হতাশ হয়েছিলেন খেলা দেখতে আসা ষাট হাজার দর্শক। সে দিন মাঠের বড় পর্দায় রোনালদোকে যত বার দেখানো হয়েছে, তারস্বরে দুয়ো দিয়েছিল কোরীয়রা। মেসির নামে চিৎকারও করেছিল কেউ কেউ। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই অনেককে হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়তে দেখা গিয়েছিল। এদের মধ্যেই দুজন ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা করে দিয়েছিলেন আয়োজক সংস্থার বিরুদ্ধে। সে মামলার সুরাহা হয়েছে দুদিন আগে। গত মঙ্গলবার ওই দুই সমর্থককে ৩১২ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইনচনের একটি জেলা আদালত।