মধ্যাহ্ন বিরতির পরপরই আউট হয়ে ফিরলেন নাজমুল হোসেন। ব্যক্তিগত ৪৪ রানে মোহাম্মদ আব্বাসের বলে আউট তিনি। সেই পুরোনো রোগ। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা। নাজমুলকে প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। তাঁর কাছ থেকে বড় ইনিংসের প্রত্যাশা ছিল। নিজেকে সে পথেই হাঁটাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলো না।
নাজমুলের বিদায়টা ছিল বড় ধাক্কা। এরপর বড় ধাক্কা হয়ে আসে মাহমুদউল্লাহর আউট। ২৫ রান করে শাহীন আফ্রিদির বলে আসাদ শফিকের ক্যাচ হয়ে ফিরেছেন তিনি। তবে এ দুই ধাক্কা খুব ভালোভাবেই সামাল দিচ্ছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন আর লিটন দাস। কেবল জবাবই নয়, রীতিমতো পাল্টা আক্রমণ। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম দিনে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানি বোলার-ফিল্ডারদের কপালে দেখা গিয়েছিল চিন্তার ভাঁজ। লিটন তো ওয়ানডে ধাঁচের ইনিংসই খেলেছেন। মারার বল পেলেই মেরেছেন, ভালো বল দেখে-শুনে খেলেছেন। বেশ আনন্দদায়ী এ জুটি অনেক দূরই টেনে নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের সংগ্রহকে। ৫৪ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন তাঁরা। হারিস সোহেলের এক নিরীহ-দর্শন অফব্রেকে সুইপ করতে গিয়ে এলবি’র ফাঁদে তিনি। প্রথমে আম্পায়ার দেননি, পরে রিভিউ নিয়ে সফল পাকিস্তান। আজ মাঠের আম্পায়ার নাইজল লংয়ের দিনটা ভালো যাচ্ছে না। তাঁর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বারের মতো রিভিউ নিয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য করল পাকিস্তান। দিনের শুরুতে তামিম ইকবালের বেলাতেও ঘটেছে একই ঘটনা। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে, ৭ বাউন্ডারিতে ৩৩ রান করেছেন লিটন।