• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পেকুয়ায় টইটং অঙ্কুর বিদ্যাপীটের বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন পেকুয়া সদর মৌলভী পাড়া সমাজ কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি-শিব্বির, সাধারণ সম্পাদক – জাহেদ ১৬ মাসে নতুন করে দেশে এসেছেন দেড় লাখ রোহিঙ্গা ফ্লাইওভারে ছাত্রলীগ নেতার ঝুলন্ত মরদেহ রামু প্রেস ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন সম্পন্ন উখিয়া-টেকনাফে প্রজেক্ট অফিসার নিয়োগ দেবে ব্র্যাক এনজিও চার বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস নোহা বক্সিসহ ২৮ হাজার ইয়াবা নিয়ে কক্সবাজার মহাজের পাড়ার জসিম ও সাইফুলসহ আটক ৪ পেকুয়ায় সংরক্ষিত বনে অবৈধ স্থাপনা : সংবাদ প্রকাশ করায় বন কর্মকর্তার হুমকি চকরিয়ার মাতামুহুরীসহ নতুন পাঁচ উপজেলা গঠন

ছুটির ঘন্টা

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৪৮ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০

শাহীন আবদুর রহমান:

‘ছুটির ঘন্টা’ সিনেমার কথা নিশ্চয়ই মনে আছে সবার। আজিজুর রহমান এর লেখা ও পরিচালনায় ১৯৮০ সালে রিলিজ হয় বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এবং হৃদয়স্পর্শী এই সিনেমাটি। কিন্তু অনেকেই হয়তোবা জানেন না সিনেমাটি একটি বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছিল।

কক্সবাজারে ‘খোকন’ নামের ১২ বছরের এক স্কুল বালক কোরবানির ঈদের ছুটির সময় স্কুলের টয়লেটে ভুলক্রমে আটকা পড়ে যায়। সেখানেই সে অনাহারে মৃত্যুবরণ করে। পরবর্তীতে স্কুল খোলার পর টয়লেট থেকেই তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সেই বাস্তব ঘটনাই এই সিনেমার ভিত্তি।

আজিজুর রহমান এর লেখা ও পরিচালনায় ১৯৮০ সালে রিলিজ হয় বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল এবং হৃদয়স্পর্শী সিনেমা ‘ছৃুটির ঘণ্টা

ছেলেবেলায় প্রাইমারি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে সীতাকুণ্ডের বিখ্যাত পরাগ সিনেমা হলে গিয়ে এই হৃদয়স্পর্শী সিনেমা দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। খোকন চরিত্রে এই সিনেমায় অভিনয় করেন সুমন সাহা। এছাড়া নায়ক রাজ রাজ্জাক, শাবানা, সুজাতা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন।

অত্যন্ত ছোট পরিসরে অনাকাঙ্ক্ষিত লকডাউন এর এটি একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনা।

#লকডাউন_কি?

লকডাউন হচ্ছে একটা প্রোটোকল যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় লোকজন বা তথ্যসমূহ ঐ এলাকার বাইরে যাওয়া প্রতিরোধ করা হয়। ড্রিল লকডাউন হচ্ছে বাইরে যাবার ফটক বন্ধ করে দেওয়া যাতে কেউ বেরুতে বা ঢুকতে না পারে। আর সম্পূর্ণ লকডাউন হচ্ছে যার যার জায়গায় অবস্থান করা এবং ঐ স্থাপনা বা ভবন থেকে বের না হওয়া।

#লকডাউন_কত_প্রকার

লকডাউন মূলত দুই প্রকার।

১. প্রিভেন্টিভ বা প্রতিরোধ মূলক২. ইমারজেন্সী বা জরুরি।

কোন অস্বাভাবিক ঘটনা বা দূর্বলতার কারণে কোন প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় দূর্ঘটনা বা জীবনের ঝুঁকি এড়ানোর জন্য আগে থেকেই যে লকডাউন করা হয়, সেটাই প্রতিরোধ মূলক লকডাউন।

আর জীবনহানি বা ক্ষয়ক্ষতির ভয় থেকে যে লকডাউন করা হয় তাকে জরুরি লকডাউন বলা হয়।

প্রতীকী ছবি

#কভিড_১৯

কভিড-১৯ এর কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই বিভিন্ন সময়ে ও পরিসরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। কক্সবাজারে ৮ এপ্রিল বিকেল ৪.৩০ টা নাগাদ জরুরি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এই লকডাউন এর মূলবার্তা হচ্ছে কক্সবাজারের প্রবেশ ও বহির্গমন বন্ধ করা, যার যার ঘরে অবস্থান করা এবং জরুরি প্রয়োজন যেমন চিকিৎসা ও খাদ্য সংগ্রহ বা সরবরাহ ছাড়া কোন অবস্থাতেই ঘর থেকে বের না হওয়া।

বর্তমান ডিজিজ ট্রেন্ড এবং হটস্পট এর লোকেশান বিবেচনায় নিঃসন্দেহে এটা একটা বাস্তবসম্মত ও সময়োচিত পদক্ষেপ। আসুন আমরা সবাই এই জরুরি নির্দেশনা মেনে চলি, বাঁচিয়ে রাখি প্রাণের জেলা সমুদ্র কন্যা কক্সবাজার।

লেখক: প্রধান জরুরি বিভাগ ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল।

লেখাটি ডা. শাহীন আবদুর রহমানের ফেসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন