সিরাজুল ইসলাম:
সরকারি ও নিজ মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা অনুমোদনহীনভাবে নির্মিত ৮টি ভবনে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসময় স্থাপনা নির্মান কাজ বন্ধ ও আগামী ৩ দিনের মধ্যে নিজ উদ্যোগ উক্ত স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলবে মর্মে অঙ্গীকারনামা দেন ভবন মালিকেরা।
তবে অতি-ঝূঁকিপূর্ণ ২শত ফুট উঁচু পাহাড় ঘেঁষে নির্মিত লারপাড়ার মাহাবুবুর রহমানের ১তলা স্থাপনাটি স্কেভেটর দিয়ে ভেঙ্গে দেন কউক। এছাড়াও নির্দেশ না মেনে পাহাড়ে ঝূঁকিপূর্ণ ভবন নির্মান না করার হুশিয়ারী দিয়েছে কউকের ভ্রাম্যমান আদালত।
সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শহরের ৮টি স্পটে এই বিষেশ অভিযান চালান কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (উপ সচিব) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদ।
উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো বসন্ত চাকমা, সার্ভেয়ার জাহাঙ্গীর আলম বাবু, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তৌসিলদার মো. জাহেদ।
জানা যায়, শহরের অনুমোদনবিহীন ও ঝূকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ করার দায়ে বিশেষ অভিযান চালান কউক ও উপজেলা প্রশাসন। এসময় লারপাড়ার শক্তি মটরস এর পাশে মাহাবুর রহমানের দখলীয় একতলা ভবন ভেঙ্গে দেয়া হয়। একই সাথে দক্ষিণ আদর্শগ্রামের এইচএম নুরুল আলমের দুইতলা ভবন ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকাস্থ প্রধান সড়কের পাশে অনুমোদনবিহীন নির্মানাধীন ৬টি ভবনের আংশিক অংশ ভেঙ্গে দেন কউকের ভ্রাম্যমান আদালত। ইমারতের নকশা অনুমোদন না নেয়া পর্যন্ত ভবন নির্মানের কাজ বন্ধ থাকার নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
স্থানীয়রা জানান, লারপাড়া এলাকায় মাহাবুর রহমানের নেতৃত্বে ২শত ফুট উঁচ্চতার পাহাড় ঘেষেঁ নির্মিত হচ্ছে বহুতল ভবন নির্মানের কাজ। গত ১৫ দিন আগে এই ঝূকিপূর্ণ ভবন নির্মানের অভিযানের মধ্যদিয়ে বাধাঁ দিয়েছে, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার নু এমং মারমা মং, কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মোঃ নাজমুল হুদা।
সর্বশেষে কউক ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ভেঙ্গে দেয়া হলো। এ ব্যাপারে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে: কর্নেল (অব:) ফোরকান আহমদ বলেন, পরিকল্পিত পর্যটন নগরী বাস্তবায়নে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।