• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল : কক্সবাজারের উপকূল এখনও অরক্ষিত

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক: / ১৯৬ বার ভিউ
আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৩
মহেশখালীর চালিয়াতলী টু মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক।

আজ সে ভয়াল ২৯ এপ্রিল। বাংলাদেশের উপকূলবাসীর স্বজন হারানোর দিন। ১৯৯১ সালের এই দিনে এক মহা প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা।

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। এতে ২ লাখ মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি নিখোঁজ হয় ১ লাখ। মারা যায় ৭০ হাজার গবাদিপশু।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়। তবে বেসরকারি হিসাবে এ ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হবে বলে দাবি কোস্টাল জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আতা উল্লাহ খাঁনের।

সেই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের ৩২ বছর পার হলেও কক্সবাজারের উপকূলবাসী এখনও অরক্ষিত। বিভিন্ন স্থানে এখনও খোলা রয়েছে বেড়িবাঁধ। ফলে বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় উচ্চ জোয়ারের সময় লোকালয়ে সাগরের লোনাজল এখনও প্রবেশ করছে।

১৯৯১ সালের এই দিনে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা উপদ্বীপে। এই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক নারী সদস্য কামরু নাহার রুবি বলেন, এখানে এমন কোনো বাড়ি নেই যে বাড়ি থেকে ৫-৬ জন লোক মারা যায়নি। তাই এই দিনটি এলে এখনও প্রতিটি বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে যায়।

ধলঘাটা তরুণ ছাত্র সংঘের সভাপতি জয়নাল আবেদীন জানান, ১৯৯১ সালের পর থেকে ধলঘাটার মানুষ বেড়িবাঁধ নিয়ে কষ্টে আছে।

মহেশখালীর মাতারবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান মো. আবু হায়দার বলেন, এসব কিছুর পরও সরকার উপকূলবাসীর জন্য সুপার ডাইকের ব্যবস্থা করবে এবং যেকোনোভাবে তা উপকূলীয় এলাকাকে নিরাপদ করবে বলে আশা তাদের।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী ড. তানজির সাইফ আহমেদ জানান, কক্সবাজারের ৫৯৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে ৩২ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তবে পুরো উপকূলজুড়ে সুপার ডাইক নির্মাণের জন্য কাজ চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন