কক্সবাজার পেকুয়ায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে মা মেয়েকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বুধবার বিকেল ৪টায় সদর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের উত্তর মেহেরনামা, তেলিয়াকাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, প্রবাসী মো: ইউনুছের স্ত্রী উম্মে সালমা বেগম (৫০), মেয়ে নারগিছ সুলতানা (১৮), শাকিলা ইয়াছমিন (১৬) ও ছেলে মোঃ ফরহাদ (১৫)। এদিকে আহত শাকিলা ইয়াছমিন পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির মানবিক বিভাগে পড়ুয়া ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, টিউবওয়েলের ব্যবহার করা পানি পুকুরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। এঘটনায় ক্ষিপ্ত হইয়া একই এলাকার মনজুর আলমের পরিবারে লোকজন প্রবাসী ইউনুছের পরিবারের উপর হামলা করেছে। প্রবাসীর স্ত্রী উম্মে সালমা জানান, আমাদের টিউবওয়েলের পানি আমাদের পুকুরে পড়ছে। এটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে নানান অজুহাত দেখিয়ে পানির পাইপটি ভেঙ্গে দেয়। এটার প্রতিবাদ করতে গেলে মনজুর আলমের ছেলে আব্দু রহিম, মৃত অজি উল্লাহার ছেলে মনজুর আলম, আব্দু রহিমের স্ত্রী হালিমা বেগমসহ অজ্ঞাত ৫/৬জন দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার বসত বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড় দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে আমার উপর হামলা চালায়। আমার ছেলে মেয়ে এগিয়ে আসলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। এসময় বাড়িতে থাকা আসবাবপত্র, মালামাল ভাঙচুর, আলমারিতে রক্ষিত স্বর্ণলংকার, নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকাসহ জমি-জমার দলিলপত্র লুটপাট করে নিয়ে গেছে বলে দাবী ভুক্তভোগী পরিবারের।
এঘটনায় মো: ইউনুছের স্ত্রী উম্মে সালমা বেগম (৫০) বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানিয়েছেন।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল মোস্তফা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।