• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

তিন ছেলে মাদক ব্যবসায়ী-ছিনতাইকারী: সমালোচনার মুখে মেম্বার প্রার্থী হাসান ফকির

নিজস্ব প্রতিদেক / ১৯১ বার ভিউ
আপডেট সময় : বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
মেম্বার প্রার্থী হাসান আলী ফকির।

বিশেষ প্রতিবেদক

কক্সবাজার শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী আব্দুল্লাহ মিঠু, জোবাইর হাসান যুবু ও কামরুল হাসান কান্নু বিরুদ্ধে রয়েছে ছিনতাই, হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদক মামলা। তার তিনজনেই আপন ভাই। পরিবারটি কলাতলী এলাকায় ছিনতাইকারী ও অপরাধীর পরিবার হিসেবে বেশ পরিচিত। এছাড়া অনেকেই মাদকের সাথে সরাসরি জড়িত। বর্তমানে কামরুল হাসান কান্নু মাদক নিরাময় কেন্দ্র নোঙরে রয়েছে।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কক্সবাজারে ৫নং ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হয়েছেন হাসান আলী ফকির।

হাসান আলী ফকির মেম্বার পদপ্রার্থী হওয়ায় মানুষের মুখে -মুখে আলোচনার ঝড় উঠছে। এলাকাবাসীরা কারণ হিসেবে বলছে- হাসান আলী ফকিরের তিন ছেলেই অপরাধী। বিভিন্ন অপরাধের সাথে তারা সরাসরি জড়িত।

১নং ওয়ার্ডের এক ভোটার জানান, যে ব্যক্তি ধোঁকাবাজি করে, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। হাসান আলী ফকিরের (সাবেক মেম্বার) ছেলে গুলো খুবই বেপরোয়া। গত বছর আমার ছেলে থেকে তার ছোট ছেলে কান্নু মোবাইল ছিনতাই করে। যেটি হাসান আলী ফকিরের বড় ছেলে এবং হাসান আলী ফকিরের স্ত্রী কে বিচার দি। কিন্তু আমার ছেলের মোবাইল ফেরত দিবো বলে তারা আশ্বস্ত করেছিল । কয়েকদিন যাওয়ার পর তাদের বাসায় গেলে উল্টো আমাকে অপমান করে বের করে দেয় হাসান আলী ফকিরের স্ত্রী নুরনাহার ।

তাদের বিরুদ্ধে সমাজে বিচার দিলে কাজ হয়না। যাদের লজ্জা নেই তাদের আবার বিবেক কীভাবে থাকে। এদের মত মানুষদের জনপ্রতিনিধি করা মানে নিজের কপালে কুড়াল মারার সমান। এরা সবসময় নিজের স্বার্থে কাজ করে।

একই এলাকার একজন যুবক জানান, হাসান আলী ফকিরের ছেলেদের আতঙ্কের রাতে বের হতে পারি না। সব সময় আতঙ্কে থাকি। তার ছেলেরা ইয়াবা ও মাদক সেবন করে রাস্তায় যাকে পায় তাকে মারধর করে। ইয়াবা সেবনের টাকা না পেলে ছিনতাই করে। যাদের পরিবারের সবগুলো ছিনতাইকারী তারা আবার কতটুকু বিবেকবান হবে।

সরেজমিন গিয়ে জানতে পারি, হাসান আলী ফকিরের মেজ ছেলে মিঠু ছিনতাইকালে ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল। এবং হাসান আলী ফকিরের ছোট ছেলে একজন চিহ্নিত সন্ত্রসী। কয়েক বছর আগে কান্নুর হাতে স্থানীয় ইলিয়াস নামে এক যুবক প্রাণ হারান। এই ঘটনায় কারাগারেও ছিল কান্নু।

এছাড়া জোবাইর হাসান যুবু’র বিরুদ্ধে রয়েছে হত্যা ও ডাকাতি মামলা। প্রায় ৮ বছর আগে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ রোডে পর্যটকদের ডাকাতিকালে রামু থানা পুলিশ যুবুসহ বেশ কয়েকজন ডাকাত দলের সদস্যকে হাতেনাতে আটক করে। এসময় তাদের কাছ থেকে দেশিয় অস্ত্র ও মুখোশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৫ বছর আগে কলাতলী এলাকায় আলোচিত ইলিয়াস হত্যা মামলার অন্যতম আসামী জোবাইর হাসান যুবু।

এসব ঘটনায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিল যুবু। কারাগার থেকে বের হয়ে শুরু করে ইয়াবা কারবার। বর্তমানে কলাতলী এলাকায় প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে জমজমাট ইয়াবা কারবার। তবে যুবু’র ইয়াবা ব্যবসা রয়েছে খুচরা পর্যায়ে।

সচেতন মহলের দাবি- এসব অপরাধীর পিতা যদি মেম্বার নির্বাচিত হয় তাহলে ছিনতাইয়ের মাত্রা আরো বেড়ে যাবে। এবং এলাকায় সুশৃংখল বলতে কিছু থাকবে না। এমনি তাদের পরিবারের আতঙ্কে সবার ঘুম হারাম হয়।

আরও পড়ুন: 

কলাতলীতে তিন পরিবারে ইয়াবার ‘রাজত্ব’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন