• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

প্রকল্পের মালামাল পরীক্ষায় তৃতীয় পক্ষের পরিদর্শন চায় বিদ্যুৎ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিদেক / ২২২ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট:

করোনার কারণে সারা পৃথিবীতেই চলছে লকডাউন। কোথাও কোথাও তা সাময়িক শিথিল বা উঠে গেলেও বিদেশিদের প্রবেশে রয়েছে নানা ঝক্কি-ঝামেলা। এ অবস্থায় করোনার কারণে সরাসরি নির্মাতা কোম্পানির কারখানা পরিদর্শন করা সম্ভব হবে না প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বা বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের পক্ষে। এ কারণে চলমান প্রকল্পগুলোর মালামাল এবং যন্ত্রাংশ ঠিক আছে কিনা তা যাচাইয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দ্বারস্থ হতে চায় বিদ্যুৎ বিভাগ। এজন্য বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো কীভাবে কাজ করে তা মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, কেন্দ্র নির্মাণ থেকে সঞ্চালন এবং বিতরণ সব প্রকল্পের জন্য যেসব যন্ত্রাংশ এবং মালামাল প্রয়োজন হয় তা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এই আমদানি প্রক্রিয়াতে চুক্তির পর বাস্তবায়নকারী সংস্থার কর্মকর্তারা ছাড়াও সংশ্লিষ্টরা একাধিকবার প্রস্তুতকারী কোম্পানির কারখানা পরিদর্শন করেন। কিন্তু করোনার কারণে এখন সারা বিশ্বেই লকডাউন চলছে। আবার কোনও কোনও দেশ লকডাউন তুলে নিলেও সেখানে প্রবেশে অনেকের বাধা রয়েছে। দেশে যেহেতু করোনা সংক্রমণ চলছে তাই অনেক দেশেই বাংলাদেশিদের প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হবে। এতে করে যন্ত্রাংশের গুণগত মান ঠিক রাখা নিয়ে সংশয় থেকে যাচ্ছে।

এ কারণে এই সময়ে বিকল্প কোনও উপায়ে কীভাবে কাজ সচল রাখা যায় এজন্যই তৃতীয় পক্ষের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে জানিয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা থার্ড পার্টি হিসেবে প্রতিষ্ঠান ইন্সপেকশন করে থাকে। এখানে তাদের নির্দিষ্ট হারে ফি পরিশোধ করতে হয়। এতে যন্ত্রাংশ খারাপ হলে দায় তাদের ওপর বর্তায়। যেহেতু আন্তর্জাতিকভাবেই এটি স্বীকৃত একটি পদ্ধতি, তাই এখানে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এসব প্রতিষ্ঠান শুধু আমাদের পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, আমরা আগে থেকেই ডিজাইন এবং সুপারভিশনের প্রায় কাজ পরামর্শক দিয়ে করাই। দরপত্র তৈরি করে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইও করে দেয় পরামর্শকরা। এতে করে নির্দিষ্ট কাজের জন্য কেবল নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ রাখলেই হয়। এটিও সেভাবেই করা হবে। কিছু বড় প্রকল্পে আগে থেকেই এমন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় বলে জানান তিনি।

গত রবিবার বিদ্যুৎ বিভাগের এক বৈঠকে বলা হয়, মালামাল আমদানির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তৃতীয় পক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইন্সপেকশন করার বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন সংস্থা বা কোম্পানিগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে কোন সংস্থা কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা সংস্থাভিত্তিক আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এখন দেশে কেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি সঞ্চালন এবং বিতরণে বেশ কিছু বড় প্রকল্প রয়েছে। এসব প্রকল্পের যন্ত্রাংশ চীন এবং ইউরোপ আমেরিকা থেকে আমদানি করা হয়। বিদেশ থেকে আমদানি যন্ত্রাংশে যেসব প্রকল্প নির্মাণ হচ্ছে তাদের কাজ প্রায় বন্ধ রয়েছে। বলা হচ্ছে, যন্ত্রাংশ আমদানি করা সম্ভব না হলে কাজ করা কঠিন। এসব প্রকল্পের কাজ এরই মধ্যে পিছিয়ে গেছে। দেশে সকল অফিস আদালত খোলার কারণে কাজগুলো পুনরায় শুরু হয়েছে, তবে যন্ত্রাংশ আমদানির সেই জটিলতা থেকেই যাচ্ছে। সঙ্গত কারণে এসব প্রকল্পের কাজ দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রবিবারের বৈঠকে বলা হয়, দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোতে জানাতে হবে তারা কীভাবে কাজ করে। এরপর তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে কীভাবে কাজ করা যায় সে বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত জানানো হবে যা আপাতত সকলে মেনে চলবে। পরিস্থিতি বদল না হওয়া পযন্ত তা বলবৎ থাকবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহম্মদ হোসেইন বলেন, করোনাকালীন সময়ে আমাদের কোনও প্রকল্পের কাজের যাতে ক্ষতি না হয় সেজন্য আমরা এ ধরনের উদ্যোগগুলো নিচ্ছি। 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন