নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দরগাহ পাড়া এলাকায় প্রায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ফের ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনাও।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে পূর্ব মুক্তারকুল ভাঙ্গাব্রীজ এলাকায় টেকনাফ থেকে আসা ইয়াবা বহনকারী সিএনজি আটকে স্থানীয় একদল ইয়াবা ছিনতাইকারী সিন্ডিকেট এ ঘটনা ঘটায় বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। পরে উভয় গ্রুপের লোকজন পালিয়ে গেছেন।
জানা গেছে, মেজর সিনহা হত্যার পর মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা তেমন না থাকায় ইয়াবা পাচার ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ওই এলাকায় কখনো মাদক বিরোধী অভিযান না হওয়ায় কোন বিষয় আমলে নিচ্ছে না ইয়াবা ব্যাপারীরা।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে বেপারীপাড়া এলাকার হাসান নামে এক মাদক ব্যবসায়ী তার নিজস্ব সিএনজি যোগে ১০ হাজার ইয়াবা নিয়ে টেকনাফ থেকে ফিরছিলেন। সে দরগাহ পাড়া সংলগ্ন ভাঙ্গাব্রীজ অতিক্রম করার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা স্থানীয় মৃত ছৈয়দ আহাম্মদের ছেলে আবুল হাশিম, মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ হিরু, মৃত আমান উল্লাহর ছেলে হারুন রশিদসহ একটি দল পথ আটকে ওইসব ইয়াবা ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
এসময় ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি ফেলে পালিয়ে যায় তারা। কিছুক্ষণ পর হাসানসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে এসে সিএনজিটি নিয়ে চলে যায় বলে জানান স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী জানান, এ দু-গ্রুপের ইয়াবা ছিনতাই ও ইয়াবা পাচারের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক, উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। ছিনতাই ও পাচারের এ সিন্ডিকেটে ক’জন বিভিন্ন মামলার আসামি রয়েছে। পাশাপাশি এ সিন্ডিকেটের অন্যতম গডফাদার হাসান। দরগাহপাড়া, বেপারীপাড়া ও চরপাড়াসহ কয়েকটি স্থান হতে নিয়মিত ইয়াবার চোরাচালান হয়।
এ ব্যাপারে কক্সবাজারের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক সুমেন মন্ডল বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।