ডা. আশিকুর রহমান:
বিদ্যুতায়িত হয়ে একই সাথে দুজনের আগমন জরুরী বিভাগে, “রেড জোনে” পুরো টিমের সমন্বিত ও সময়োচিত এপ্রোচ।
জীবন বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা জরুরী টিমের ।
তবুও শেষ রক্ষা হয় না ! জীবন হেরে যায় মাঝেমাঝে।
পারিবারিক কলহ জনিত কারনে বুকের বাম পাশে মারাত্মক জখম নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে মৃতপ্রায় রোগীর আগমন, রোগীর প্রেসার ,পালস কিছুই নেই! অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে হতে জীবনপ্রদীপ নিভু নিভু ,তবুও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া – যমরাজ এখানেও জয়ী।
মারামারির সময় মাথায় মারাত্মক আঘাত নিয়ে প্রায় অজ্ঞান অবস্থায় রোগীর আগমন সেই রোগীর সাথে ,সাথে প্রচুর বমি ও খিচুনির মত অবস্থা ! স্যালাইন সহ অন্যান্য চিকিৎসা দিয়ে কিছুটা ” স্থিতাবস্থা ” আপাতত ! হয়তো বেঁচে যাবে এই যাত্রা।
তবুও শংকা:
ট্যুরে এসে কাকড়া খেয়ে এলার্জিজনিত জটিলতা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এজমা রোগীর আগমন,সাথে হাইপ্রেসার ও তীব্র অক্সিজেন স্বল্পতা – মাত্র 44% ! ( নরমাল >90%)
পুরো অচেতন ও যায় যায় অবস্থা।
প্রশিক্ষিত ও উদ্যমী জরুরী টিমের সহায়তায় প্রায় ৩ ঘন্টার অব্যাহত চেষ্টায় ও মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দয়ায় রোগীর জ্ঞান ফিরে আসা ও জীবনরক্ষাকারী জরুরী চিকিৎসা প্রদান।
কখনো জীবন জিতে যায় ,কখনো মৃত্যু।
কখনো হাসিমুখ, কখনো বেদনাহত।
কখনো জীবন হেরে যায় – নিয়তির কাছে।
আমাদের আয়োজন হয়তো -অপ্রতুল বা অক্ষম আমরা সবাই ।
লেখক: উপপ্রধান, জরুরি বিভাগ, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল।
লেখাটি ডা. আশিকুর রহমানের ফেসবুক থেকে সংগৃহিত।