• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

কৃষি বিভাগের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে কক্সবাজারে কাটা হচ্ছে পাহাড়

রাশেদুল মজিদ: / ২২৭ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ৮ মে, ২০২৩

কৃষি বিভাগের মিশ্র ফল বাগান প্রদর্শনীর দুটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দুটি পাহাড় কেটে নিচ্ছেন নজরুল ইসলাম প্রকাশ আর্মি নামের এক ব্যক্তি। কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের কলাতলী বাইপাস সড়কের জেলগেইটের রহমতপুর এলাকায় চলছে পাহাড় নিধনের এ ভয়াবহ কর্মযজ্ঞ।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ঝিলংজার জেলগেইটের রহমতপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির পাশাপাশি সরকারি পাহাড় দখল করে আছেন নজরুল ইসলাম প্রকাশ আর্মি নামের এক ব্যক্তি। গত এক মাস ধরে তাঁর দখলে থাকা দুটি পাহাড়ে কৃষি বিভাগের সরকারি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে পাহাড় কেটে আসছেন নজরুল। পাহাড় কেটে সেখানে সরকারি সাইনবোর্ড দুটি টাঙিয়ে দেয়া হয়।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কিছু সমতল ভূমি সহ দুটি বিশাল পাহাড় টিনের ঘেরা দিয়ে দখলে রেখেছেন নজরুল। সেখানে পাহাড়ে আকাশমণি গাছের বাগান রয়েছে। ঘেরার মধ্যে দুটি পাহাড়ের একাংশ কেটে কৃষি বিভাগের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে। পাহাড় থেকে কেটে ফেলা হয়েছে শতাধিক আকাশমনি গাছ। সাইনবোর্ডের শিরোনামে লেখা রয়েছে, “মিশ্র ফল বাগান প্রদর্শনী”। এধরণের দুটি সাইনবোর্ড টাঙানো রয়েছে জন্নাতুল ফেরদৌস ও মোহাইমেনুল ইসলাম নামের দুই জনের নামে। তারা দুজনই পাহাড় কর্তনকারী নজরুল ইসলামের ছেলে ও মেয়ে।

পাহাড় কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি বিভাগ থেকে আমার ছেলে ও মেয়ের নামে ফলের চারা নিয়ে বাগান করা হয়েছে। বাগানের জন্য আংশিক পাহাড় কাটা হয়েছে। কৃষি বিভাগের লোকজন এসব পরিদর্শন করেন।’

যোগাযোগ করা হলে কৃষি বিভাগের মিশ্র ফল বাগান প্রদর্শনী প্রকল্পের বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুপন বড়ুয়া বলেন, ‘কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে পাহাড় কাটার জন্য কাউকে বলা হয়নি। এভাবে পাহাড় কাটার সুযোগ কারও নেই। এছাড়া কৃষি বিভাগের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে পাহাড় কাটা গুরুতর অপরাধ। গত এক বছরে তাঁরা কেউ কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষি বিভাগের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নজরুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।’

দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সরকারি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত পাহাড় কাটার কোন সুযোগ নেই। পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে আজকেও অভিযান হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সময় দিলে আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন