• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি

নিজস্ব প্রতিদেক / ৬৫২ বার ভিউ
আপডেট সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০
কুড়িগ্রামে নিম্নাঞ্চলের অন্তত শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট:


গত এক সপ্তাহ ধরে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমর, ফুলকুমরসহ ১৬টি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে কুড়িগ্রাম জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে।

সর্বশেষ কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার অববাহিকায় নিম্নাঞ্চলের অন্তত শত শত পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) নতুন করে প্লাবিত হতে শুরু করেছে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকাসহ বিভিন্ন এলাকা।

বন্যার কারণে সবজি ক্ষেত পানিতে ডুবে গেছে।


নাগেশ্বরী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় নারায়ণপুর ইউনিয়নের উত্তর বালারহাট, আদর্শ গ্রাম ও ভয়ানেরচরসহ ৭-৮টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী জীবনযাবন করছেন। এছাড়া প্রায় ২০০ বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে।

নারায়ণপুর ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বালা ডোবা, উত্তর বালা ডোবা, মসালের চরসহ কয়েকটি চর পানিতে পুনরায় তলিয়ে গেছে। আর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন।

বন্যার কারণে রাস্তা-ঘাট পানিতে ডুবে গেছে।


তিনি বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে প্রায় দুই হাজার মানুষের বাড়ি-ঘর তলিয়ে গেছে। বর্তমানে তারা নৌকা ও টংসহ বিভিন্ন উঁচু স্থানে বসবাস করছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৬ সেন্টিমিটার। ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়া পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: বার্তা২৪.কম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন