• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

কিট নিয়ে বিএসএমএমইউ-এর সঙ্গে বৈঠক করবে গণস্বাস্থ্য

নিজস্ব প্রতিদেক / ৬২০ বার ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট:

কিটের মান উন্নয়নে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের কমিটির সঙ্গে দেখা করবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল। শনিবার (২৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএসএমএমইউ কমিটির সঙ্গে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিনিধি দলের দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অ্যান্টিবডি কিটের উদ্ভাবক দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা অ্যান্টিবডি কিটের সেনসিটিভিটি গ্রহণযোগ্য মাত্রার নিচে হওয়ায় রেজিস্ট্রেশন দেয়নি ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। তবে পরবর্তীতে এই কিটের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেয় ওষুধ প্রশাসন।

ড. বিজন কুমার শীল বলেন, ‘আমরা চার থেকে পাঁচ জন ডাক্তার শনিবার সাড়ে ১১টার দিকে কিটের কার্যকারিতা যাচাইয়ে গঠিত বিএসএমএমইউ কমিটির সঙ্গে দেখা করতে যাবো। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কিটের মান উন্নয়নে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

গণস্বাস্থ্যের করোনা শনাক্তের কিট সরকারের কাছে হস্তান্তর অনুষ্ঠান (ফাইল ছবি)তিনি আরও বলেন, ‘বিএসএমএমইউ প্রতিবেদনে অ্যান্টিবডি কিটটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে তার সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু ওষুধ প্রশাসন তা গ্রহণ করেনি, এটা দুঃখজনক। তবে তারা বলছে, কিটের মান উন্নয়নে সহযোগিতা করবে। এখন বিএসএমএমইউ সঙ্গে আলোচনা করে দেখবো কোন জায়গায় কিটের মান উন্নয়ন করা যায়।’

তিনি জানান, করোনাভাইরাস নিয়ে কোনও কিছুই এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত নয়। করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রায় প্রতিদিনই তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুন বিএসএমএমইউ হাসপাতাল ওই কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন জমা দেয় ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে। ওই দিন বিএসএমএমইউ-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের রোগ শনাক্তকরণের গণস্বাস্থ্যের কিট কার্যকরী নয়। উপসর্গের প্রথম দুই সপ্তাহে কিট ব্যবহার করে শুধুমাত্র ১১ থেকে ৪০ শতাংশ রোগীর করোনা শনাক্তকরণ সম্ভব। তবে এই কিট করোনার ব্যপ্তি দেখার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে এই কিটের মাধ্যমে ৭০ শতাংশ রোগী যাদের ইতোপূর্বে কোভিড রোগ হয়েছিল, তাদের শনাক্ত করা সম্ভব। কোভিড প্লাজমা বিতরণ, কোয়ারেন্টিন সমাপ্তির সময় নির্ধারণ এবং লকডাউন উত্তোলনের রূপরেখা তৈরিতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন