• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

করোনা সংকটে কক্সবাজারে বাসা-বাড়িতে বেড়েছে চুরির ঘটনা

নিজস্ব প্রতিদেক / ৬৯৬ বার ভিউ
আপডেট সময় : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

এম.এ আজিজ রাসেল:

কক্সবাজার শহরে হঠাৎ বেড়েছে চোরের উপদ্রব। সুযোগ বুঝে চোরের দল বাসা-বাড়িতে ঢুকে মূল্যবান মালামাল নিয়ে সটকে পড়ছে। এতে স্বর্বস্ব হারিয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে চুরি হওয়া গৃহস্থের মানুষ।

জানা যায়, করোনা ভাইরাসের কারণে অধিকাংশ মানুষ শহর ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছে গ্রামে। গ্রামে গেলেও তাদের মূল্যবান জিনিসপত্র শহরের বাড়িতেই রেখে গেছেন। এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে চোরেরা। তালাবদ্ধ বাসা-বাড়ি টার্গেট করে চোরের দল সাবাড় করছে সবকিছু।

সম্প্রতি শহরের বাজারঘাটা মসজিদ রোডের ‘জসিম পুষ্প বিতান’এর মালিক জসিম উদ্দিনের চাউল বাজার মদিনা মঞ্জিলের ভাড়া বাসা থেকে নগদ ৭ লাখ টাকা, ৭ ভরি স্বর্ণ ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় চোরের দল।

গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বাসায় গিয়ে সবকিছু এলোমেলো দেখে জসিম উদ্দিন।
তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতিতে দোকানপাট বন্ধ থাকায় তারা গ্রামের বাড়ি সদরের খুরুশকুলের কাউয়ার পাড়ায় চলে যান। ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখেন সব তছনছ। আলমারি ভেঙে সব লুটে নিয়ে গেছে চোরের দল। ওই ভবন মালিকের নাম মো. সায়দুল হক। এ ঘটনায় মালিকপক্ষের ৫ জনের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে ধারণা জসিমের। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

গত সোমবার (৬ জুলাই) শহরের হাসপাতাল সড়কস্থ বঙ্গপাহাড়ে ডাঃ পিংকেল দাশের ভাড়া বাসায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। ওইদিন সকালে তিনি প্রাইভেট চেম্বারে যান। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও বিভিন্ন প্রয়োজনে বাইরে যায়। এই সুযোগে চোরের দল তার বাড়িতে ঢুকে ২২ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। বঙ্গপাহাড় এলাকার ননী গোপাল ধরের মালিকানাধীন পলাশ বিল্ডিংয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে তিনি সদর মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন।

এছাড়া কিছুদিন আগে পর্যটন ব্যবসায়ী আরজু বড়ুয়া করোনার কারণে গ্রামের বাড়ি চন্দনাইশে চলে যান। সেখান থেকে কলাতলী চন্দ্রিমা এলাকায় তার বাড়িতে এসে দেখেন সবকিছু ওলটপালট। চোরেরা নিয়ে গেছে মূল্যবান মালামাল।

করোনার এই দুঃসময়ে সবকিছু হারিয়ে পথে বসার উপক্রম সৃষ্টি হচ্ছে চুরির শিকার হওয়া মানুষের। চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভাড়াটিয়া।

এই ব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মো. শাহজাহান কবির বলেন, শহরে পুলিশি টহল জোরদার রয়েছে। তারপরও ছোটখাটো চুরির ঘটনা ঘটছে। চোরের দলকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন