কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকায় পর্যায়ক্রমে সব স্পটে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি মো. আবু কালাম সিদ্দিক।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বের দীর্ঘতম এ সমুদ্র সৈকতকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য শতভাগ নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। জেলার সম্ভাবনাময় সব পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। এর জন্য কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারির কাজ শুরু হয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে সব স্পট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে।’
মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার জোনের সম্মেলন কক্ষে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আবু কালাম সিদ্দিক।
আবু কালাম ছিদ্দিক বলেন, ‘পর্যটন জাতীয় অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে দেশীয় পর্যটকের সঙ্গে বিদেশি পর্যটকের আগমন বাড়ানো গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে রাজস্ব বাড়বে। এর জন্য একটি নিরাপদ পর্যটন জোন করতে যা যা করা প্রয়োজন তাই করবে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকা শিগগিরই সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।’
পর্যটকের নিরাপত্তায় সব ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করলে নিরাপদ পর্যটন অঞ্চল তৈরি সম্ভব। এর জন্য সরকারের আইন মেনে পর্যটকদের কক্ষ ভাড়া দেওয়া, খাবার বিক্রি এবং ভালো আচরণ জরুরি। কেউ আইন অমান্য করলে তা মেনে নেওয়া হবে না।’
সভায় পর্যটন খাতে নানা জটিলতা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতারা, যা আলোচনা করে সমাধানের প্রতিশ্রুতিও দেন ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি।
এতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়ামিন হোসেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি বিধান ত্রিপুরা, কক্সবাজার জেলা প্রেস ক্লাব ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের, হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার, সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় শেষে সমুদ্র সৈকতে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ পরিদর্শনের যান ট্যুরিস্ট পুলিশের হেডকোয়ার্টারের ডিআইজি মো. আবু কালাম সিদ্দিক।