• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

কক্সবাজারের বাকঁখালীসহ দেশের সব নদী ও দখলদারদের তালিকা ৬ মাসের মধ্যে জমাদানের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিদেক / ৩৪৫ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১
এভাবে দখল হচ্ছে কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী।

ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:

কক্সবাজারের ঐতিয্যবাহী বাকঁখালী নদীসহ দেশের সব নদীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও প্রতিটি বিভাগে নদী দখলদারদের তালিকা আগামী ছয় মাসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট।

রবিবার (২১ নভেম্বর) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মে. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সকল জেলা প্রশাসককে ছয় মাসের মধ্যে নদীর তালিকা ও নদী দখলকারীদের তালিকা জমাদানের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এর আগে দেশের সব নদীর পূর্ণাঙ্গ তালিকা, তুরাগ নদীর সীমানা পুনরুদ্ধার ও প্রতিটি বিভাগে নদী দখলকারীদের তথ্য জানার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করে পরিবেশবাদী আইনজীবীদের সংগঠন বেলা।

রিটে থাকা তথ্যে বলা হয়েছে, নদীর সংখ্যা নিয়ে একেকটি পক্ষের একেক হিসাব রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, দেশে নদীর সংখ্যা ৪০৫টি। নদী রক্ষা কমিশনের হিসাবে ৭০৭টি নদী আছে বাংলাদেশে। আর বেসরকারি গবেষণায় ১ হাজার ১৮২টি নদীর কথা বলা হয়েছে। তাই নদীর সঠিক তালিকা ও অন্যান্য নির্দেশনা চেয়ে বেলা এই রিট দায়ের করে।

জানা যায়,অবৈধ দখল অব্যাহত থাকায় অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে কক্সবাজারের এক সময়ের খরস্রোতা বাঁকখালী নদী। দু’পাড় সংকুচিত হয়ে পর্যটন শহরের মিঠাপানির প্রাণ এ নদী ক্রমেই ছোট খালে পরিণত হচ্ছে। নদী তীর ভরাট ও অবৈধ দখলে জড়িতদের সনাক্ত করে মামলা করা হলেও থেমে নেই দখল।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন,বিআইডাব্লিউটিএ,উপকূলীয় বণবিভাগ এর তালিকায় কক্সবাজার পৌরসভাসহ ১৫৭জন প্রভাবশালীসহ ৪২০ জন দখলদারকে চিহ্নিত করেছে।জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে ১০৯ জন দখলদারের পরিচিতি দিয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অজানা কারণে থেমে আছে উচ্ছেদ কার্যক্রমও। পরিবেশকর্মীদের অভিযোগ প্রভাবশালী দখলদারদের বিরুদ্ধে দৃশ্যত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বাকঁখালী দখলদারদের তালিকা তৈরী করে তাদের উচ্ছেদ এবং দূষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধের নির্দেশ দেন। একই সাথে আদালত নদীর তীর চিংড়ি, তামাক বা ভিন্ন কোন উদ্দেশ্যে ইজারা প্রদান থেকে বিরত থাকতে ভুমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ ১০ সরকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু গুরুত্বপুর্ণ এ নদী রক্ষায় আদালতের নির্দেশনার ৬ বছর পার হয়ে গেলেও জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা কার্যকর কোন পদক্ষেপই নেয়নি। নির্ধারণ হয়নি নদীর সীমানা। উল্টো প্রতিদিন শহরের যত ময়লা-আবর্জনা সবই ফেলা হচ্ছে বাঁকখালী নদীতে। সমানতালে চলছে নদী ভরাট ও দখলের প্রতিযোগীতা। দখলবাজ চক্র নদী তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি অস্তিত্বহীন বাঁকখালী নদীর জমি দেখিয়ে কোটি-কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ নেওয়ার নজিরও রয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে নদী দখলদারদের যে তালিকা করা হয়েছে তাতে প্রভাবশালী অনেকের নাম বাদ পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন