নিজস্ব প্রতিবেদক
এবার চক্রের ইয়াবা বিক্রির নগদ বিশ লাখ টাকা লুট করে আত্মগোপনে চলে গেছে কক্সবাজার সদরের পিএমখালীর হামিদ। গত শনিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রামুর পঞ্জেগানা এলাকায় এঘটনা ঘটে।
এনিয়ে সদরের খরুলিয়া নয়া ও বাংলাবাজার ভিত্তিক দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী চক্রের মাঝে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও স্নায়ুযুদ্ধ চলছে। এমনকি দুই গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় যেকোন মুহুর্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কাও করছে সচেতন মহল।
জানা যায়- গত ১ অক্টোবর খরুলিয়া নয়াপাড়ার চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী পিএমখালী উত্তরপাতলীর মৃত সিকান্দর আলীর পুত্র হামিদ এবং তার চাচাত ভাই সিএনজি চালক সোহেল (২৬) সহ মিলে খরুলিয়া নয়া পাড়ার ইয়াবা স¤্রাট ওসমান নগদ বিশ লাখ টাকার ইয়াবা বিক্রি করে।
ওইদিন সন্ধ্যায় নগদ টাকাসহ ওসমান একটি সিএনজি যোগে রামু থেকে খরুলিয়ার দিকে রওয়ানা দেয়। আসার পথে হঠাত সিএনজি চালক সোহেল গাড়ির যন্ত্রাংশ সংস্কারের কথা বলে থেমে যায়। এসময় সোহেল টাকাগুলো গাড়িতে রেখে হামিদ এবং ওসমানকে গাড়িতে ধাক্কা দিতে বলে। বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত ছিলো যে কারণে হামিদ গাড়ি থেকে নামার ভান করলেও ওসমান গাড়ির পেছনে যেতেই হামিদকে সাথে নিয়ে ওসমান টান দেয় গাড়ি।
পরে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় জানাজানি হলে ওসমান সিন্ডিকেটের লোকজন অপর ইয়াবা গডফাদার হামিদ ও সোহেলের বাড়িতে হামলা চালায়। এতে হামিদ বাহিনীর একাধিক সদস্য গুরুতর আহত হয়। এবং আত্মগোপনে চলে যায় হামিদ ও তার অপর সহযোগী চাচাতো ভাই সোহেল।
এদিকে টাকা হারিয়ে ওসমান রিক্তহস্ত হয়ে নিস্ব হবার কথা প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করলেও বিশ লাখ টাকা লুটকারী হামিদ এই টাকা একাই লুট করতে পেরে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেন।
যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে দম্ভের সাথে হুমকি দিয়ে বলেন- এই টাকা থেকে আপনাকেও খুশি করে দিবো। হয় ভাগ নেন নতুবা ভাগেন। আর যদি আপোষ না করেন তাহলে আপনার যা খুশি লিখেন। তবুও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এই টাকা তিনি সোপার্দ করবেন না বলে লাইন কেটে দেন।
উল্লেখ্য, হামিদ, সোহেল এবং ওসমান তিনজনই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তালিকাভুক্ত কক্সবাজার সদরের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী।