নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলের তেতৈয়ার ইউছুফ ফকিরপাড়ার বটগাছ তলায় ১ একরের বিশাল পাহাড় কেটে শেষ করেছে হেলাল নামের এক ব্যক্তি। ৩/৪ মাস আগে বন কর্মীরা সেখানে গেলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে প্রায় ১ মাস ধরে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের তেতৈয়া ইউছুফ ফকিরপাড়ার নজুরবাপের ঘোনায় পাহাড় কাটা চলছে দেদারসে। প্রকাশ্যে দিনে-রাতে পাহাড় কেটে একটি ডাম্প ট্রাকে করে মাটি ও বালি বিক্রি করা হলেও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কোন ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
এ প্রসঙ্গে পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এনভায়রনমেন্ট পিপল এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে পাহাড় কাটার স্থানে গিয়ে পাহাড় কর্তনের ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়। দ্রুত পাহাড় কর্তনকারীদের আইনের আওতায় আনা না হলে এ অঞ্চলের পাহাড় অবশিষ্ট থাকবে না।’
স্থানীয় লোকজন জানান, তেতৈয়া ইউছুফ ফকির পাড়ার মৃত মোহাম্মদ হোছন এর পুত্র হেলাল উদ্দিন একটি ডাম্প ট্রাক নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে পাহাড় কেটে মাটি ও বালি বিক্রি করে আসছেন। ইউছুফ ফকির পাড়ার বটতলা এলাকায় এক একর আয়তনের একটি বিশাল পাহাড় কেটে সাবাড় করে হেলাল। দিনে-রাতে পাহাড় কেটে মাটি ও বালি বিক্রি করার সময় সেখানে ৩/৪ মাস আগে স্থানীয় বন বিট কার্যালয়ের কর্মীরা গেলেও রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। যার কারণে পুরো পাহাড় কেটে শেষ করে হেলাল।
এলাকাবাসী আরও জানান, বটতলার বিশাল পাহাড় কেটে শেষ করার পর এখন নজুবাপের ঘোনায় আরও একটি পাহাড় কাটা হচ্ছে প্রায় এক মাস ধরে। যোগাযোগ করা হলে হেলাল উদ্দিন পাহাড় কাটার ঘটনা স্বীকার করে বলেন, ‘বন বিভাগ এসে পাহাড় না কাটতে নিষেধ করেছিল। আমি আপনার সাথে দেখা করবো।’
পাহাড় কাটা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের পিএমখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল জব্বার পাহাড় কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘দ্রুত অভিযান চালিয়ে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’