• রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

টাকা দিতে না পারায় হত্যা; ওসি প্রদীপসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে দুই মামলা

নিজস্ব প্রতিদেক / ৬৯৪ বার ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় নূর মোহাম্মদ ও মো. আজিজ নামের দুই ব্যক্তিকে ক্রসফায়ারে হত্যার অভিযোগে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে একদিনে আরো দুটি মামলার আবেদন করা হয়েছে।

ফৌজদারি মামলার এজাহার দুইটি আমলে নিয়ে ওই ঘটনা সংক্রান্ত অন্য মামলা আছে কিনা তা আগামী ৪ নভেম্বরের মধ্যে আদালতকে জানাতে টেকনাফ থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

নুর মোহাম্মদ টেকনাফ সদরের নাজিরপাড়ার বাসিন্দা এবং মো. আজিজ একই ইউনিয়নের ডেইল পাড়ার বাসিন্দা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (টেকনাফ-৩) হেলাল উদ্দীনের আদালতে এই দুই মামলার আবেদন করা হয়েছে। নিহত নুর মোহাম্মদের স্ত্রী লায়লা বেগম ও মো. আজিজের মা হালিমা খাতুন বাদি হয়ে এই দুই মামলার আবেদন করেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবী নূর হোসেন নাহিদ মো. মোস্তফা সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। দুটি মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

নিহত নূর মোহাম্মদের মামলার বাদি এজাহারে উল্লেখ করেন, গত বছরের ১৯ মার্চ বীজ ও স্যার আনতে কৃষি অফিস গেলে সেখান থেকে কৃষি সরঞ্জামসহ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তার পরিবারের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন ওসি প্রদীপসহ অন্যান্যরা। না দিলে তাকে ক্রসফায়ারে মারা হবে হুমকি দেয়া হয়।

পরে তিনি বাধ্য হয়ে বিভিন্নভাবে পাঁচ লাখ টাকা দেন। কিন্তু ২১ মার্চ রাতে স্ত্রী লায়লা বেগম নুর ও মোহাম্মদকে থানা থেকে বের করে মেরিন ড্রাইভ সড়কের রাজারছড়া এলাকায় নিয়ে যায়। একপর্যায়ে নুর মোহাম্মদকে কয়েকজন পুলিশ তুলে নিয়ে ঝাউবাগানে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

অন্যদিকে নিহত মো. আজিজের মামলার বাদি এজাহারে উল্লেখ করেন, ২০১৯ সালের ১৮ অক্টোবর টেকনাফ থানার একদল পুলিশ মো. আজিজ, নুর হাসান ও আবুল খায়ের নামের তিনজনকে ধরে নিয়ে যায়। পরে মো. আজিজের পরিবার থেকে ২০ লাখ টাকা দাবি ওসি প্রদীপসহ বাকিরা। না দিলে আজিজকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হবে হুমকি দেয়।

এতে নিরুপায় হয়ে বিভিন্নভাবে ৫০ হাজার টাকা পুলিশকে দেয় আজিজের পরিবার। কিন্তু ১৯ অক্টোবর রাতে মহেশখালীয়াপাড়া নদীঘাট এলাকায় আজিজকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন