• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

ভরা মৌসুম করোনায় কুপোকাত, পর্যটনে প্রাণ ফিরবে কখন?

নিজস্ব প্রতিদেক / ১১৭৮ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০

মোহাম্মদ ফরিদ ও ফয়সাল রিয়াদ:

যে সমুদ্রসৈকত সারাবছর জুড়ে পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকতো সেটি এখন মাসের পর মাস পড়ে আছে ফাঁকা। শত শত হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউজ, কটেজে নেই কোন সাড়া শব্দ। পর্যটন স্পটগুলোতেও সুনশান নিরবতা। পর্যটনে কখন কোলাহল ফিরবে, ফিরে পাবে প্রাণচাঞ্চল্য কারও জানা নেই। অনিশ্চতা আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সংক্রমণ এড়াতে চলতি বছরের ১৮ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত কক্সবাজারে পর্যটক নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর থেকে বন্ধ রয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসা।

পর্যটন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কক্সবাজারে প্রতিবছর দেশি-বিদেশি মিলিয়ে অর্ধকোটি পর্যটক আসেন। তাদের যাতায়াতে প্রতিদিন দূরপাল্লার বাস ও ১০-১২টি বিমানের ফ্লাইট আসা যাওয়া করে। পর্যটক সেবায় রয়েছে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল ও কটেজ এবং কয়েক’শ রেস্তোরাঁ। সমুদ্র ভ্রমন আরামদায়ক করতে কাজ করে শতাধিক ট্যুরিজম। বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা পর্যটন স্পট। ভ্রমণের মুহুর্ত ফ্রেমে বন্দি করে রাখতে কাজ করে তিন শতাধিক ক্যামেরাম্যান। রয়েছে শামুক-ঝিনুকের পন্য বিক্রির হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

তাদের মতে, করোনার প্রভাবে বন্ধ হওয়া পর্যটন কখন নাগাদ খুলে সেটা জানা নেই কারও কাছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল খাতে এখন পর্যন্ত ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে বলে দাবী কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ।

সুনশান নিরবতা পর্যটন স্পটে:

সমুদ্রসৈকত আর মেরিন ড্রাইভ ঘেঁষে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত নয়নাভিরাম পর্যটন স্পট ‘দরিয়ানগর’। এখানে দর্শনীয় গুহা, কটেজ, পাহাড়চূড়া এবং পাদদেশের টং, বানর আর বিভিন্ন প্রজাতির পাখির উপস্থিতি মন জুড়িয়ে যায় পর্যটকদের। প্রকৃতির মাঝে অবস্থিত এমন দর্শনীয় পর্যটন স্পটটি বন্ধ গত ১৭ মার্চ থেকে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দরিয়ানগর পর্যটন স্পটের গেইটে ঝুলছে তালা। এই স্পটে প্রবেশ করতে হয় আর্টিফিশিয়াল তিমি মাছের মুখের ভেতর দিয়ে। পর্যটক ও স্থানীয়দের প্রবেশ রোধ করতে তিমি মাছের মুখে আটকে দেওয়া হয়েছে কাঁটাযুক্ত গাছের শাখা-প্রশাখা। ভেতরে-বাইরে কোন মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়নি।

দরিয়ানগর পর্যটন স্পট পরিচালনাকারি কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি।

কথা হয় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সাথে। তারা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটক আসা নিষিদ্ধ ঘোষণার পর কর্তৃপক্ষ গেইটে তালা ঝুলিয়ে চলে যান। এরপর থেকে কাউকে আসতে দেখা যায়নি।
হিমছড়ি ঝর্ণা কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। পাহাড় বেয়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হলেও নেই কোন দর্শণার্থী। রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই পড়ে আছে ঝর্ণার স্পট। প্রবেশপথও করে দেওয়া হয়েছে উন্মুক্ত। হিমছড়ি ঝর্ণাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা রেস্তোরা, দোকানপাট সবকিছুই বন্ধ রয়েছে।

হিমছড়ি বিনোদন স্পটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আক্কাস আলী ভয়েসওয়ার্ল্ডকে বলেন, “লকডাউনের পর থেকে ব্যবসা বন্ধ। দোকানের মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একদিকে ব্যবসা বন্ধ, অন্যদিকে দোকানের মালামাল নষ্ট হচ্ছে সব মিলিয়ে অনেক কষ্টের মধ্যে আছি। এখানকার সব ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে। ব্যবসা বন্ধ থাকায় ঋণ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী।”

তিনি আরও বলেন, হিমছড়ি বিনোদন স্পটে ঝিনুক, জুতা, আচার, ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পের জিনিসপত্র, কাপড় ব্যবসায়ী ছাড়াও আছেন হকার, বীচ ফটোগ্রাফার ও রেস্তোরা। প্রত্যেকে চরম কষ্টে দিনাতিপাত করছে।
ইনানী সৈকতেও এখন মানুষের বিচরণ দেখা পাওয়া দূর্লভ ব্যাপার। সেখানকার হকার, জেটস্কি, বীচবাইক, দোকান থেকে শুরু করে প্রত্যেকে চরম লোকসানের মুখে।

একইভাবে মেরিনড্রাইভের সৌন্দর্য্য দেখার জন্যও নেই মানুষের উপস্থিতি। পর্যটন মৌসুমে কানা রাজার গুহা, রামুর দর্শনীয় বৌদ্ধ মন্দির, মহেশখালী আদিনাথ মন্দির, ডুলহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, সেন্ট মার্টিন দ্বীপসহ সকল স্পট পর্যটকে মুখর থাকে। কিন্তু এসব পর্যটন স্পট পর্যটকের দেখা পাচ্ছেনা গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে।

ফাঁকা পড়ে আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরা:

কক্সবাজারে ছোট-বড় মিলিয়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল, গেস্টহাউজ ও কটেজ আছে। এসব হোটেলের ধারণ ক্ষমতা আছে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার পর্যটকের। গত ১৮ মার্চ থেকে ভুঁতুড়ে এলাকায় পরিণত হয়েছে হোটেল মোটেল জোন। একই অবস্থা পর্যটন শহরের শত শত রেস্তোরারও।

৪ শতাধিক ছোট বড় আবাসিক হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউজের প্রায় অর্ধলক্ষ কর্মচারী তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। চরম ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে মালিক পক্ষ। এখনই হোটেল মোটেল গেস্টহাউজ খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে তারা।

হোটেল মোটেল গেস্টহাউজ মালিক সমিতির নেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্যবসা বন্ধ থাকলেও মেইনটেইন্স খরচ গুণতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, পরিচ্ছন্নতা, বিদ্যুৎ ও টেলিফোন বিলসহ নানা খাতে ক্যাটাগরি অনুসারে একেক হোটেল মালিকের প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে। সে হিসাবে ব্যবসা বন্ধের সময়ে হোটেল-মোটেল-কটেজ এবং রেস্তোরা মালিককে কমপক্ষে অর্ধশত কোটি টাকা লোকসান দিতে হবে। এর সঙ্গে রয়েছে ব্যাংকঋণের সুদও।

অভিযোগ উঠেছে, সারাবছর গলাকাটা বাণিজ্য করলেও এই সংকটে অধিকাংশ হোটেল মালিক কর্মচারিদের পাশে দাঁড়ায়নি। উল্টো বেতনবিহীন ছাঁটাই করা হয়েছে ৯৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

কটেজ ব্যবসায়ী নুরুল হুদা বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রায় ১২০ টি কটেজ রয়েছে। পর্যটক নিষিদ্ধ থাকার কারণে প্রতিটি কটেজে তালা ঝুলছে। প্রতিটি কটেজে ৫/৬ জন কর্মচারি থাকলেও ব্যবসা বন্ধ থাকার কারণে মাত্র ১ জন রেখে বাকি সব কর্মচারিকে ছুটি দিতে হয়েছে। ব্যবসায়ীরা চরম দুর্দিন পার করছে। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

ট্যুরিজম সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েলপার্ক রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম নেওয়াজ বলেন, “নভেম্বর থেকে এপ্রিল-মে পর্যন্ত কক্সবাজারের পর্যটনের ভরা মৌসুম। এরমধ্যে রোজার ঈদে সবচেয়ে বেশি পর্যটক পায় কক্সবাজার। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে কিছুটা ব্যবসার দেখা পেলেও মৌসুমের বেশির ভাগ সময় করোনায় লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, “এরইমধ্যে হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসলে সব হোটেল নতুনভাবে সাজাতে হবে। এতে অনেক টাকার দরকার। কিন্তু হোটেল ব্যবসা সরকারি প্রণোদনার অন্তর্ভুক্ত নেই। পর্যটন শিল্প রক্ষার স্বার্থে হোটেল চালু করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা অথবা বিনাসুদে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় পর্যটন শিল্প দাঁড় করানো কঠিন হয়ে পড়বে।”

অনাহারে দিন কাটাচ্ছে ক্ষুদ্র ঝিনুক ও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা:

কক্সবাজার পর্যটন শিল্পের অন্যতম আকর্ষণ ঝিনুক-শামুকের তৈরী চোখ ধাঁধানো রকমারি বিভিন্ন জিনিসপত্র। যা পর্যটকের মন কাড়ে তড়িৎ। এমন কোন পর্যটক নেই যারা সৈকতে এসে ঝিনুক-শামুকের তৈরী জিনিসপত্র নিজ সংগ্রহে নেন না। করোনা সংকটে দীর্ঘদিন ধরে এসব শামুক-ঝিনুকের দোকান বন্ধ। একইভাবে আচার, বার্মিজপণ্য, শুটকিসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরও হতাশায় দিন কাটছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কোন রকম জীবন ধারণ করলেও কর্মচারীরা অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

সুগন্ধা পয়েন্ট, লাবণী পয়েন্ট, কলাতলী পয়েন্ট, হিমছড়ি, ইনানী সৈকতে হাজারো দোকান রয়েছে। লকডাউনের পর থেকে বন্ধ এসব দোকানপাট।

সুগন্ধা ঝিনুক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, “সুগন্ধা পয়েন্টে দোকান ঝিনুক, খাবার, বার্মিজপণ্য, আচার, ডাবসহ বিভিন্ন পণ্যের প্রায় ৩০০ দোকান আছে। এসব ব্যবসার সাথে প্রায় ১৫’শ মানুষ জড়িত। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গত ১৩ মার্চ থেকে বন্ধ এখানকার দোকানপাট।”

তিনি আরও বলেন, “কুঠির শিল্প জাতীয় জিনিস, শামুকের ঝারবাতি, টুপি, হাতের ব্যাগ আর বিশেষ করে আচার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আচার ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। এসব ব্যবসা পূণরায় চালু করতে হলে সরকারিভাবে আর্থিক প্রণোদনা দরকার।”

শহরের বার্মিজ মার্কেটও ক্রেতাশূন্য লকডাউনের শুরু থেকে। দোকান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা অলস সময় কাটাচ্ছে। কর্মচারীরা চাকরি হারিয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে।

কিটকট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, “১২০০ চেয়ার অনুমোদন আছে। এরমধ্যে ১ হাজার চেয়ার নিয়মিত বসানো হয়। ব্যবসা বন্ধ থাকায় চেয়ার এবং ছাতাগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু চেয়ার মেরামত করার অবস্থায়ও নেই।”

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা ভয়েসওয়ার্ল্ডকে ভিডিও বার্তায় বলেন, “কক্সবাজারে চার শতাধিক হোটেল, রেস্তোরা, রিক্সাচালক থেকে শুরু করে পর্যটন ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট সবকিছু লকডাউনে। আমাদের ধারণা করোনা সংকটে ব্যবসায়ীকভাবে এপর্যন্ত ৬ থেকে ৭ হাজার কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এরমধ্যে অনেক রেস্তোরা এবং হোটেল মালিক ব্যাংক ঋণের সাথে জড়িত। তারা চরম হতাশার মধ্যে আছে।”

তিনি আরও বলেন, “এই মুহুর্তে কোভিড-১৯ কে সামনে রেখে কক্সবাজারে এক্সিটপ্ল্যান করা দরকার। স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে। যেহেতু কক্সবাজারের ৯০ শতাংশ অর্থনীতি পর্যটন শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত তাই সরকারের উচিত হবে যারা পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত তাদেরকে কিভাবে প্রণোদনার আওতায় এনে এই শিল্পকে আবার নতুন করে চাঙা করা যায়। এই বিষয়ে একটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া দরকার বলে ব্যবসায়ী মহল মনে করেন।”

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার পর্যটনের দায়িত্বে আছেন। তিনি ভয়েসওয়ার্ল্ডকে বলেন, “কক্সবাজার শহর করোনা সংক্রমণের রেডজোনে আছে। এ অবস্থায় পর্যটন ব্যবসা চালুর প্রশ্নই উঠে না। কারণ আগে মানুষ বাঁচাতে হবে। পরবর্তীতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অবস্থা বুঝে পর্যটন ব্যবসা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

ব্যবসায়ীদের প্রণোদনার দাবীর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে জানান মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন