• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

বিপুল পরিমাণ মদসহ বৈদ্যঘোনার মাদক সম্রাজ্ঞী নাহিদা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৪৬ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২০

কক্সবাজার অফিস:

বিপুল পরিমাণ চোলাই মদসহ অবশেষে কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী নাহিদ আলম (২৭) ওরফে নাহিদাকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বৈদ্যঘোনাস্থ নিজ বাড়ি ফরিদ আলমের বিল্ডিং থেকে মদসহ এই মহিলাকে আটক করা হয়।

আটক মহিলাকে রোববার বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর থানার ওসি (অপারেশন) মাসুম খাঁন। নাহিদা ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ রুবেলের স্ত্রী।

পুলিশ জানিয়েছে, নাহিদা নামে ওই মহিলার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা করার জনশ্রুতি রয়েছে এলাকায়। এলাকার সবাই মাদক কারবারি হিসেবে চেনেন তাকে।

সর্বশেষ রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে নাহিদার বাড়িতে চোলাই মদ মজুদের খবর পেয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আবু মো. শাহজাহান কবির, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস্) মো. মাসুম খাঁন ও পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) মোহাম্মদ মহিদুল আলমসহ একদল পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তার বাড়িতে থেকে বিপুল পরিমান চোলাই মদ উদ্ধার করেন।

মদ উদ্ধারের ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার এফ আই আর নং-০৯(০৪)২০২০ ইং ধারা-২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬ (১) এর ২৪ (গ)/৪১ সংক্রান্ত মামলা দায়ের করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাদক সম্রাজ্ঞী নাহিদার মা পারভিন ও বোন হয়তুরীও শীর্ষ মাদক কারবারী। মাদকের পাশাপাশি পতিতাবৃত্তিতেও জড়িত এই পরিবার। বৈদ্যঘোনার নিজের বাসায় পতিতা মজুদ করে শহরের হোটেল মোটেল জোনে সাপ্লাই দেয়। নাহিদার বোন হয়তুরীর স্বামী হাসান তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন তিনি।

নাহিদার মামা রফিকুল ইসলাম ছিলেন আরেক শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদকের ডজনাধিক মামলা ছিল। কয়েক মাস আগে ঈদগাঁও- ঈদগড় সড়কের পাশে জঙ্গল থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী রফিকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় লাশের পাশ থেকে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

মাদক ও পতিতা সম্রাজ্ঞী নাহিদার অন্যতম পার্টনার খাজামঞ্জিল এলাকার তাহেরা। তাহেরা তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন