• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

বিপুল পরিমাণ মদসহ বৈদ্যঘোনার মাদক সম্রাজ্ঞী নাহিদা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৪৯ বার ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২০

কক্সবাজার অফিস:

বিপুল পরিমাণ চোলাই মদসহ অবশেষে কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী নাহিদ আলম (২৭) ওরফে নাহিদাকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বৈদ্যঘোনাস্থ নিজ বাড়ি ফরিদ আলমের বিল্ডিং থেকে মদসহ এই মহিলাকে আটক করা হয়।

আটক মহিলাকে রোববার বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর থানার ওসি (অপারেশন) মাসুম খাঁন। নাহিদা ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ রুবেলের স্ত্রী।

পুলিশ জানিয়েছে, নাহিদা নামে ওই মহিলার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা করার জনশ্রুতি রয়েছে এলাকায়। এলাকার সবাই মাদক কারবারি হিসেবে চেনেন তাকে।

সর্বশেষ রোববার (৫ এপ্রিল) ভোরে নাহিদার বাড়িতে চোলাই মদ মজুদের খবর পেয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আবু মো. শাহজাহান কবির, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস্) মো. মাসুম খাঁন ও পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) মোহাম্মদ মহিদুল আলমসহ একদল পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তার বাড়িতে থেকে বিপুল পরিমান চোলাই মদ উদ্ধার করেন।

মদ উদ্ধারের ঘটনায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার এফ আই আর নং-০৯(০৪)২০২০ ইং ধারা-২০১৮ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬ (১) এর ২৪ (গ)/৪১ সংক্রান্ত মামলা দায়ের করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মাদক সম্রাজ্ঞী নাহিদার মা পারভিন ও বোন হয়তুরীও শীর্ষ মাদক কারবারী। মাদকের পাশাপাশি পতিতাবৃত্তিতেও জড়িত এই পরিবার। বৈদ্যঘোনার নিজের বাসায় পতিতা মজুদ করে শহরের হোটেল মোটেল জোনে সাপ্লাই দেয়। নাহিদার বোন হয়তুরীর স্বামী হাসান তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন তিনি।

নাহিদার মামা রফিকুল ইসলাম ছিলেন আরেক শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদকের ডজনাধিক মামলা ছিল। কয়েক মাস আগে ঈদগাঁও- ঈদগড় সড়কের পাশে জঙ্গল থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী রফিকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় লাশের পাশ থেকে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

মাদক ও পতিতা সম্রাজ্ঞী নাহিদার অন্যতম পার্টনার খাজামঞ্জিল এলাকার তাহেরা। তাহেরা তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন