ভয়েস ওয়ার্ল্ড ডেস্ক:
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একের পর এক সন্ত্রাসী তৎপরতা আতঙ্কের বিষয় উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, তাদের অপতৎপরতা রোধে গুলি চালানো হবে।
তিনি আরও বলেন, তারা (রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা) দেশে মাদক ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত হয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করছে।
শুক্রবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশনে এক আলোচনা শেষে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
গত ৫ অক্টোবর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘মিয়ানমার থেকে অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও মানবপাচার রোধে প্রয়োজনে সীমান্তে গুলি চালানো হবে।’
সে সময় মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের অপকর্ম রোধে মিয়ানমার সীমান্তে গুলি চালানো হবে।’
এদিকে শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোরে কক্সবাজারের উখিয়ায় ১৮নং ক্যাম্পে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৭ রোহিঙ্গা নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন।
ওই ঘটনায় নিহত হয়- উখিয়ার বালুখালী ২ নম্বর ক্যাম্পের মোহাম্মদ ইদ্রিস (৩২), বালুখালী ১ নম্বর ক্যাম্পের ইব্রাহীম হোসেন (২২), বালুখালী ১৮ নম্বর ক্যাম্পের এইচ ব্লকের আজিজুল হক (২৬) ও মোহাম্মদ আমিন (৩২), রোহিঙ্গা শিবিরের ‘দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়া’ মাদ্রাসার শিক্ষক ও ক্যাম্প-১৮, ব্লক-এফ-২২–এর নুর আলম ওরফে হালিম (৪৫), মাদ্রাসাশিক্ষক ও ক্যাম্প-২৪–এর হামিদুল্লাহ (৫৫) ও মাদ্রাসাছাত্র ও ক্যাম্প-১৮, ব্লক- এইচ- ৫২-এর নুর কায়সার(১৫)। এর মধ্যে শেষের তিনজন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়।
কক্সবাজার ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শিহাব কায়সার খান জানান, কী কারণে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজনকে আহতাবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ক্যাম্পের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভোরে গোলাগুলির ঘটনায় প্রথমে ৪ জন নিহত ও ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে শুক্রবার সকালে হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন :