• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

শেয়ার বিক্রি বন্ধ করিয়ে দরপতন ঠেকানোর চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিদেক / ৪৩৬ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২০

রেকর্ড দরপতনের পর বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঊর্ধ্বমুখী ধারায় শুরু হয় শেয়ারবাজারে লেনদেন। প্রথম আধা ঘণ্টায় লেনদেনে আসা ৮৫ শতাংশ শেয়ারের দর বাড়ে। এতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮৩ পয়েন্ট বা ২ শতাংশ বেড়ে ৪১১৯ পয়েন্ট ছাড়ায়।

লংকাবাংলা, ইউসিবি, আইডিএলসিসহ শীর্ষ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, লেনদেনের প্রথম আধা ঘণ্টায় বড় ব্রোকারেজ হাউসগুলোর প্রতি শেয়ার বিক্রি না করার কড়া নির্দেশ ছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি থেকে। প্রতিষ্ঠানগুলো এ নির্দেশনা মেনেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষ একটি ব্রোকারেজ হাউসের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা সমকালকে জানান, বিএসইসির মৌখিক আদেশ পেয়ে তারা লেনদেনের প্রথম আধা ঘণ্টায় কোনো শেয়ার বিক্রি করেননি, যদিও গ্রাহকদের থেকে বিক্রির আদেশ ছিল। বিক্রির চাপ কম থাকায় শেয়ারদর কিছুটা বেড়েছে বলে মনে করেন তিনি।

কিন্তু আধা ঘণ্টা পর আবার শেয়ার বিক্রি শুরু হওয়ায় নিম্নমুখী হতে শুরু করে দর, তাতে সূচকও নিম্নমুখী হয়।

ব্রোকারেজ হাউসের ওই কর্মকর্তা বলেন, বড় ব্রোকারেজ হাউসের শেয়ার বিক্রি করে দরপতন বন্ধ করা, অনেকটা ‘কোরামিন দিয়ে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা’র মতো। এটা অল্প সময় কাজ করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি সমাধান ছাড়া এ বাজারের পতন ঠেকানো যাবে না।

প্রথম ঘণ্টার লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, লেনদেনের প্রথম ঘণ্টা শেষে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৩৩৪ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে ২৬৭টির বা ৮০ শতাংশের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ২৪টি বা ৭ শতাংশ শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন