ক্যাসিনোকাণ্ডে মানি লন্ডারিং বা মুদ্রা পাচার আইনে করা মামলার তদন্ত প্রায় শেষ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। তদন্তে এখন পর্যন্ত যুবলীগ দক্ষিণের বহিস্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার ব্যাংক হিসাব নম্বরেই ৪১০ কোটি ৩০ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ওই অর্থের মধ্যে ২৭৮ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকে রয়েছে ২৯ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এই অর্থের বৈধ সোর্স দেখাতে পারেননি তিনি। তার মোট ব্যাংক হিসাব আছে ৫২টি। সিআইডির দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিআইডির ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ সমকালকে বলেন, মানি লন্ডারিং আইনে কয়েকজনের বিরুদ্ধে চলতি মাসেই চার্জশিট দেওয়া হবে। তাদের অবৈধ অর্থ-সম্পদের হিসাব পাওয়া গেছে। ক্যাসিনোকাণ্ডের পর ১২ জনের অবৈধ সম্পদের হিসাব খুঁজছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। এর মধ্যে আটজনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হয়েছে। ঠিকাদার মোগল জি কে বিল্ডার্সের কর্ণধার জি কে শামীমের ব্যাংকে পাওয়া গেছে ৩২৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। তার ব্যাংক হিসাব রয়েছে ১৯৪টি।
অনলাইন ক্যাসিনো কারবারি সেলিম প্রধানের থাইল্যান্ডে বাগানবাড়ি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার তিনি। এস-সেভেন, টি-২১, পি-২৪, প্রধানস স্পা হাউস, প্রধানস ফ্যাশন হাউস, প্রধানস ল’ ফার্ম, প্রধানস হাউস, এসডি কনসালটিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, ফিশিং কোম্পানি, জাপান-বাংলাদেশ প্রিন্টিং প্রেসসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি। তার মোট ৮৩টি ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে।