• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

লকডাউন খোলার দ্বিতীয় দিনে শহরে অসহনীয় যানজট

নিজস্ব প্রতিদেক / ৩৮০ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
লকডাউনের শিথিলের দ্বিতীয় দিনে প্রধান সড়কে বেড়েছে অসহনীয় যানজট। যানজটে আটকে ৫ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। ছবি- আয়াছুল সিফাত।

এমএ আজিজ রাসেল:

লকডাউন শিথিল করার পর থেকে কক্সবাজার শহরে ধীরে ধীরে বাড়ছে প্রাণচাঞ্চলতা। অফিস ও দোকান-পাট খোলায় মানুষ ছুটছে কর্মক্ষেত্রে। এতে ফুটে উঠেছে শহরের চিরচেনা রূপ। লকডাউন খোলার দ্বিতীয় দিনেই জ্যামিতিক হারে বাড়ছে যানজট। এতে ভোগান্তি মাথায় নিয়ে সম্পাদন করতে হচ্ছে দৈনন্দিন কাজ।

বৃহস্পতিবার শহরের আলির জাহাল, বার্মিজ মার্কেট, বাজারঘাটা, বড় বাজার, পুরাতন পান বাজার, ভোলা বাবুর পেট্রোল পাম্প, হাসপাতাল সড়ক ও লালদিঘির পাড় এলাকায় সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ছিল দীর্ঘ যানজট। এসব সড়কে সিএনজি, টমটম ও রিকসা ছিল চোখে পড়ার মতো। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশও হিমশিত খেতে দেখা গেছে। মফস্বল এলাকার টমটমও শহরে প্রবেশ করায় যানজটের মাত্রা বাড়ছে বলে জানান পথচারীরা।

লকডাউনের শিথিলের দ্বিতীয় দিনে প্রধান সড়কে বেড়েছে অসহনীয় যানজট। যানজটে আটকে ৫ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। ছবি- আয়াছুল সিফাত।

টমটম চালক মফিজ উল্লাহ বলেন, অনেকদিন বাড়িতে কর্মহীন হয়ে থাকতে হয়ে হয়েছে। এতে ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিকযাত্রা। লকডাউন শিথিলের খবর শুনে তাই টমটম নিয়ে বেরিয়ে পড়া।

অটো রিকসা চালক আবদুল গফুর বলেন, লকডাউন থাকা অবস্থায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে কিছু সহায়তা মিলেছে। কিন্তু দফায় দফায় লকডাউন বাড়ায় জমা থাকা ত্রাণ শেষ হয়ে যায়। এতে পরিবার চলা কঠিন হয়ে পড়ে। লকডাউন খুলে দেয়ায় অটো রিকসা নিয়ে ভাড়ার সন্ধানে সড়কে নেমে আসা।

সিএনজি চালক আমিন বেপারী বলেন, সড়কে লাইসেন্সবিহীন শত শত টমটম চলাচল করছে। মূলতঃ টমটমের কারণেই যানজট সৃষ্টি হয়।
ব্যাংকার জাহেদ উল্লাহ বলেন, এমনিতেই কক্সবাজারের শহরের প্রধান সড়ক সরু। চাহিদার তুলনায় সড়কে চারগুণ বেশি যানবাহন চলাচল করছে। এটি নিয়ন্ত্রিত না হলে দিন দিন অবস্থা বেগতিক হবে।

শ্রমিকনেতা আফজাল বলেন, লকডাউনের কারণে অনেকদিন মানুষ ঘরবন্দি ছিল। এতে আটকা পড়ে নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই লকডাউন শিথিলের পর মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে দৈনন্দিন কাজ মেটাতে বেরিয়ে পড়ে। তাই যানজটের আকার বৃদ্ধি হচ্ছে।

কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম মুকুল বলেন, এতোদিন টমটম, সিএনজি ও রিকসা চলাচল করতে পারেনি। কর্মহীন অবস্থায় ছিল চালকেরা। লকডাউন শিথিল হওয়ায় তাদের মাঝে কর্মচঞ্চলতা বেড়ে যায়। একযোগে যানবাহন সড়কে চলাচল করায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন