• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিলেন ‘কালু ড্রাইভার’ কর্মস্থল কক্সবাজার : প্রজেক্ট ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে সেভ দ্য চিলড্রেন কক্সবাজারসহ ৫ জেলায় ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের আশঙ্কা ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যাকান্ডে দুই নারীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাগরে ভাসতে থাকা ১৩ জেলেকে উদ্ধার করল কোস্টগার্ড চকরিয়া ছাত্রদল নেতা জিসান হত্যা : হুমকির অডিও ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজারকে সাজালে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের পর্যটন অর্থনীতি কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে সীতাকুন্ডে দুর্ঘটনায় একজন নিহত আসছে টানা ৭ দিন ছুটির সুযোগ জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে জাইমা রহমানের বায়োতে যা লেখা হয়েছে

বাজেট অর্থায়নের এক-তৃতীয়াংশই ঋণ নির্ভর

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৫৩ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্টঃ

জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিশাল ঘাটতির এই বাজেটের অর্থায়নের এক-তৃতীয়াংশই ঋণ-অনুদান নির্ভর।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ডিজিটাল উপস্থাপনার সমন্বয়ে বাজেট পেশ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট বক্তব্যের কিছু অংশ তিনি পঠিত বলে গণ্য করার অনুরোধ করেন তিনি।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের অর্থ বছরের বাজেটে মোট বরাদ্দ ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। আর মোট মোট দেশজ উৎপাদন- জিডিপি’র লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮.২ শতাংশ।

প্রস্তাবিত বাজেট অর্থায়নের উৎস বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আয়ের উৎসের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ঋণ ও অনুদান নির্ভর।

এতে কর উৎস থেকে আয় ধরা হয়েছে ৬৬.৫ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৫৮.১ শতাংশ।  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত কর ২.৬ শতাংশ। আর কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৫.৮ শতাংশ।

এছাড়া অভ্যন্তরীণ ঋণ ১৯.৪ শতাংশ, বৈদেশিক ঋণ ১৩.৪ শতাংশ আর বৈদেশিক অনুদান ০.৭ শতাংশ ধরা হয়েছে যা মোট বাজেটের ৩৩.৫০ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি অন্যান্য উৎস থেকে ৪৮ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

তিনি বলেন, আগামী বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা যা জিডিপির ৬ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে এ ঘাটতি মেটানো হবে। এ হার গত বাজেটে ছিল জিডিপির ৫ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে নেওয়া হবে ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৩ কোটি টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন