• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা খাতুন উপসচিব পদে পদোন্নতি টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫৩৩ উপজেলা হাসপাতাল ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী একই জমি দুইবার বিক্রির অভিযোগ : টেকনাফ সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে চাঞ্চল্য কক্সবাজার পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএনপির করণীয় বিষয়ে যা পরামর্শ দিলেন : ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজ উদ্দীন যে ৫ কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে আর্জেন্টিনা! টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ইয়াবা পরিবহনের দায়ে রোহিঙ্গা তরুণীর কারাদন্ড নিয়োগ দেবে কারিতাস এনজিও : কর্মস্থল কক্সবাজারের উখিয়া

বাজেট অর্থায়নের এক-তৃতীয়াংশই ঋণ নির্ভর

নিজস্ব প্রতিদেক / ২৪৯ বার ভিউ
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্টঃ

জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বিশাল ঘাটতির এই বাজেটের অর্থায়নের এক-তৃতীয়াংশই ঋণ-অনুদান নির্ভর।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় ডিজিটাল উপস্থাপনার সমন্বয়ে বাজেট পেশ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট বক্তব্যের কিছু অংশ তিনি পঠিত বলে গণ্য করার অনুরোধ করেন তিনি।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের অর্থ বছরের বাজেটে মোট বরাদ্দ ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। আর মোট মোট দেশজ উৎপাদন- জিডিপি’র লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮.২ শতাংশ।

প্রস্তাবিত বাজেট অর্থায়নের উৎস বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আয়ের উৎসের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ঋণ ও অনুদান নির্ভর।

এতে কর উৎস থেকে আয় ধরা হয়েছে ৬৬.৫ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৫৮.১ শতাংশ।  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত কর ২.৬ শতাংশ। আর কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৫.৮ শতাংশ।

এছাড়া অভ্যন্তরীণ ঋণ ১৯.৪ শতাংশ, বৈদেশিক ঋণ ১৩.৪ শতাংশ আর বৈদেশিক অনুদান ০.৭ শতাংশ ধরা হয়েছে যা মোট বাজেটের ৩৩.৫০ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি অন্যান্য উৎস থেকে ৪৮ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

তিনি বলেন, আগামী বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা যা জিডিপির ৬ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে এ ঘাটতি মেটানো হবে। এ হার গত বাজেটে ছিল জিডিপির ৫ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে নেওয়া হবে ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৩ কোটি টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ পড়ুন