কক্সবাজার অফিস:
টেকনাফে করোনা সংকটেও থেমে নেই ইয়াবা পাচার। মানুষের ঘরে থাকার সুযোগে একদল ইয়াবা ব্যবসায়ী তাদের ইয়াবা পাচার দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে। ইয়াবা পাচারের সময় রোববার রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই ‘মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত হয়। এসময় পুলিশেরর তিন সদস্যও আহত হয়।
রবিবার (৫ এপ্রিল) ভোররাতে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জিমংখালী চিংড়ি ঘেরের বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, টেকনাফ পৌরসভার পুরাতন পল্লান পড়ার সুলতান আহমেদ এর ছেলে মাহমুদ উল্লাহ (২৬) ও হোয়াইক্যং ঝিমমং খালীর জাফর আলমের ছেলে মোহাম্মদ মিজান (২৪)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, উপজেলার হোয়াইক্যংয়ের জিমংখালী চিংড়ি প্রজেক্ট বাঁধ সংলগ্ন এলাকায় মজুদ রাখা ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে পুলিশও অত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। হামলাকারীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবদ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। অভিযানে ১৫ হাজার ইয়াবা, দুটি এলজি, গুলি, খালি খোসা ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করে পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, মাদক উদ্ধার অভিযানের সময় গোলাগুলিতে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। তবে অভিযান শেষে থানায় ফেরার সময় পৌরসভা এলাকার হোটেল হিলটপ সংলগ্ন মেইন রোডে ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে ইয়াবা বহনকরা মাইক্রোবাসটিতে অগ্নিকাণ্ড হয়। ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।