কক্সবাজারের রামুতে মিয়ানমারে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির কাছে পাচারের উদ্দ্যেশে সীমান্তগামী মিনিট্রাক থেকে ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ১ হাজার ৬০০ পিস ম্যাগজিন রাখার প্রসেসসহ (বাউন্ডলি) তিন পাচারকারিকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর রাত পৌনে ২ টায় রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা-বাগান এলাকায় আল মদিনা নামের খাবার রেঁস্তোরার সামনে সড়কে বসানো চেকপোস্ট থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের কম্বনিয়া এলাকার নুরুল আলমের ছেলে মো. শাহজাহান (২৫), একই ইউনিয়নের আশারতলী এলাকার মো. বদিউজ্জামানের ছেলে মো. ইলিয়াছ (১৯) ও ঘিলাতলী এলাকার এম এ সামাদের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫)।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে ২টা ৪৫ মিনিটে রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা-বাগান এলাকা দিয়ে যানবাহন যোগে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম পাচারের খবর পায় পুলিশ। পরে চা-বাগান এলাকায় আল মদিনা নামের খাবার রেঁস্তোরার সামনে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কে একটি অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হয়। একপর্যায়ে চট্টগ্রাম দিক থেকে আসা নাইক্ষ্যংছড়িগামী একটি মিনিট্রাক সেখানে পৌঁছালে থামার সংকেত দেয়া হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি দেখে গাড়িতে থাকা ৩ জন লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালালে তাদের ধাওয়া দিয়ে আটক করা হয়।
পরে মিনিট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় প্লাস্টিকের সাদা চটের ৩২টি বস্তা। বস্তাগুলো খুলে পাওয়া যায় ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগজিন রাখার ১ হাজার ৬০০ পিস প্রসেস (বাউন্ডলি)। এসময় জব্দ করা হয় মিনি ট্রাক।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘আটকরা স্বীকারোক্তিতে জানান, উদ্ধার করা ম্যাগজিন রাখার প্রসেসগুলো মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।’